ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের বদলি স্থগিত আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না ৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী বিল পাস, নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম

জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬ সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদে এই বিল উত্থাপন
  • আপলোড সময় : ৮ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ২:৪১ সময়
  • আপডেট সময় : ৮ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ২:৪১ সময়
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী বিল পাস, নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম

জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬ সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদে এই বিল উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। নতুন এই আইনের মাধ্যমে এখন থেকে কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা রাজনৈতিক দলকে সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পেল সরকার। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠন বা দলের কার্যক্রম অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


এছাড়া, নিষিদ্ধ সংগঠনকে অর্থ, আশ্রয় বা যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদান করলে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ১১ মে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধনে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। তখন সংসদ কার্যকর না থাকায় সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেন এবং পরে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।


এই সংশোধনের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?