ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
দুদকের ৩ উপপরিচালক ও ৯ সহকারী পরিচালক পদে রদবদল মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে হৃদয়স্পর্শী বার্তা নেইমারের অক্টোবরের পাঁচ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫১৩ মিলিয়ন ডলার ‘কেন কুষ্টিয়ার ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী চুপ, এখন বুঝতেছেন?’ মোদির পর ভারতীয় সেনাপ্রধানের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বনানীতে ৩২ বর্গফুট কবরের সংরক্ষণ ফি দেড় কোটি টাকা, ২৫ বছর পর করতে হয় নবায়ন এলএনজিতে বাড়ছে ব্যয়, কাটছে না গ্যাস-সংকট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শ্লথ, বাড়ছে দারিদ্র্য, স্থবির কর্মসংস্থান: বিশ্বব্যাংক রাজধানী রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করলো সৌদি আরব বিদায়ী ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট মেসির, বেনিনকে ৩-০ গোলে হারাল আর্জেন্টিনা

বিতর্কিত ইভিএম প্রকল্প: ৩ হাজার কোটি টাকা কার পকেটে?

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন
  • আপলোড সময় : ৩০ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১০:১৩ সময়
  • আপডেট সময় : ৩০ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১০:১৩ সময়
বিতর্কিত ইভিএম প্রকল্প: ৩ হাজার কোটি টাকা কার পকেটে?

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই প্রকল্প এখন ব্যাপক সমালোচনার মুখে। প্রকল্প অনুযায়ী প্রায় দেড় লাখ ইভিএম মেশিন কেনার জন্য ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। তবে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (CAG) প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাজারমূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি দামে মেশিন কেনা হয়েছে, যাতে রাষ্ট্রের প্রায় ৩ হাজার ১৭২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রকল্পে উন্মুক্ত দরপত্রের পরিবর্তে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রশ্নবিদ্ধ। সেনাবাহিনীর অধীন একটি প্রতিষ্ঠান সরবরাহে যুক্ত থাকলেও যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রকল্পটির সঙ্গে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। যদিও এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি, তবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।


প্রযুক্তিগত দিক থেকেও প্রকল্পটি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি বলে সমালোচনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, কেনা মেশিনের একটি বড় অংশ বর্তমানে অচল অবস্থায় পড়ে আছে এবং ব্যবহারযোগ্য মেশিনের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে খুবই কম। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে কিছু ইভিএম মেশিনে ত্রুটির তথ্যও উঠে এসেছে, যা নিম্নমানের পণ্য সরবরাহের অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।


বিশ্লেষকদের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতি, স্বচ্ছতা না থাকা এবং তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণে এটি কার্যত ব্যর্থ উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। এদিকে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তকে অনেকেই এই প্রকল্পের ব্যর্থতার নীরব স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।


এ বিষয়ে এখন মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—এই বিশাল ব্যয়ের দায় কে নেবে এবং প্রকৃত অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়ে থাকলে তার বিচার কতটা কার্যকরভাবে হবে।


সূত্র: কলাম ও বিশ্লেষণ প্রতিবেদন

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তিন ট্রাকভর্তি ৪ লাখ পাঠ্যবই জব্দ নিয়ে তুলকালাম!

তিন ট্রাকভর্তি ৪ লাখ পাঠ্যবই জব্দ নিয়ে তুলকালাম!