ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুরের পাশে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রাজধানীতে, পুলিশের লাঠিপেটা পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী গাঢ় নীল পোশাকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান রোলারের চাপায় ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হবে। এ
  • আপলোড সময় : ১০ মার্চ ২০২৬, দুপুর ২:১২ সময়
  • আপডেট সময় : ১০ মার্চ ২০২৬, দুপুর ২:১২ সময়
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হবে। এ কারণে কার্ড বিতরণে পরিবারের নারীপ্রধানদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রামে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নগরের পতেঙ্গা বিমানবন্দর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন। অনুষ্ঠানে পাঁচজন নারীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন অর্থমন্ত্রী।


জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নগরের অর্থমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ওই ওয়ার্ডের ৫ হাজার ৫৭৫টি পরিবারের নারীপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এই কার্ডের আওতায় প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা পাবে।


অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিবারের নারীপ্রধানকে ক্ষমতায়ন করা না গেলে তার সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক মর্যাদা বাড়বে না। আর তা না হলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া কঠিন হবে। সেই চিন্তা থেকেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির ধারণা এসেছে। তিনি আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মধ্যেই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। সাধারণত দেশের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেক সময় লাগে, কিন্তু সঠিক নেতৃত্ব ও সদিচ্ছা থাকলে অল্প সময়েও তা সম্ভব।


মন্ত্রী জানান, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন পিছিয়ে থাকা মানুষের ঘরে পৌঁছে যায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জরিপ করে হতদরিদ্র পরিবারগুলো নির্বাচন করেছেন এবং এতে কোনো রাজনৈতিক কর্মী যুক্ত ছিলেন না। ধাপে ধাপে আরও পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি। প্রথমে হতদরিদ্র, এরপর দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।


অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটের একটি বড় অংশ এই কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সীমিত অর্থনৈতিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণের ক্ষমতায়ন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং কৃষকদের জন্য ফার্মারস কার্ড চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা স্বল্পমূল্যে সারসহ কৃষি উপকরণ পেতে পারবেন। দরিদ্র কৃষকদের প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণও মওকুফ করা হয়েছে, যাতে তারা নতুনভাবে কৃষিকাজ শুরু করতে পারেন।


অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ