চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি শতভাগ দগ্ধ ছিলেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে সোমবার সন্ধ্যায় দগ্ধদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ আনা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, ঢাকায় নেওয়ার পর নুরজাহান আক্তার রানীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার স্বামী ও সন্তানসহ পরিবারের আরও আটজন বর্তমানে ওই ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন রানীর স্বামী সাখাওয়াত হোসেন, তাদের দুই সন্তান এবং সাখাওয়াতের দুই ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা। দগ্ধদের মধ্যে কয়েকজনের শরীর প্রায় শতভাগ দগ্ধ হয়েছে এবং সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রয়োজন হলে তাদের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে।
গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে সোমবার ভোর ৫টার দিকে হালিশহর, চট্টগ্রাম এলাকার এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায়। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিস্ফোরণের সময় পরিবারের সদস্যরা সেহরি করছিলেন। বিস্ফোরণের পর ঘরে আগুন ধরে যায় এবং শরীরে আগুন নিয়ে তারা একে একে বাইরে বের হয়ে আসেন।
ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে সাখাওয়াত হোসেনের শরীরে শতভাগ, পাখি আক্তারের শরীরে শতভাগ এবং অন্যদের শরীরের বড় অংশ পুড়ে গেছে। রোগীদের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, দগ্ধদের স্থানান্তরের বিষয়টি আগে থেকেই জানানো হয়েছিল এবং হাসপাতাল প্রস্তুত ছিল। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় ঝুঁকি এখনো রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন