ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
১৯ বছর আগে মেসির কোলের সেই শিশুই এবার তার প্রতিপক্ষ মেসির পথেই হাঁটছেন হ্যারি কেইন, আরও এক বিশ্বকাপ খেলার ইঙ্গিত ১১২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেসির শট ঠেকাতে ডানে ঝাঁপ, আলভারেজের জন্য বাঁয়ে-ইংল্যান্ডের ‘নকল’ ধরা আজান দিতে যাওয়ার পথে মুয়াজ্জিনকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা বিয়ের একদিন পর মসজিদে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ, দেখার পর মামার মৃত্যু নরসিংদীতে খালে গোসল করতে নেমে তিন শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে আবার আলোচনায় বসাতে চাপ সৃষ্টি করবে পাকিস্তান ‘সাদিক কায়েম জামায়াতে যোগদান করে ডাকসু ভিপি থাকার নৈতিকতা হারিয়েছে’

শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী পুলিশ অফিসারকে মাদক পাচারে সম্পৃক্ততার অভিযোগে প্রত্যাহার

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতিতে ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ পুলিশের তিন সোর্স আটক হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত এসআই কামাল হোসেনকে প্রত্যাহার করে
  • আপলোড সময় : ২৩ আগস্ট ২০২৫, বিকাল ৫:৫৩ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ আগস্ট ২০২৫, বিকাল ৫:৫৩ সময়
শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী পুলিশ অফিসারকে মাদক পাচারে সম্পৃক্ততার অভিযোগে প্রত্যাহার ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতিতে ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ পুলিশের তিন সোর্স আটক হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত এসআই কামাল হোসেনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল আলম খান।


শুক্রবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে লোহাগাড়া থানা থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তিনি চলতি বছরের ২২ এপ্রিল চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতুর কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছিলেন।


লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত এসআই কামালকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাত দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি বাজার এলাকায় তিনজনকে ফেনসিডিল পাচারের সময় স্থানীয়রা আটক করে। পরে তাদের সেনাবাহিনীর হাতে সোপর্দ করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪৮ বোতল ফেনসিডিল ও পাচারে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।


আটককৃতরা হলেন—উপজেলার আমিরাবাদ ৭নং ওয়ার্ডের সুখছড়ি এলাকার রমিজ উদ্দিন (৩৫), লোহাগাড়া সদরের হোসেন আলী মাতব্বর বাড়ির নাজিম উদ্দিন (৪৫) এবং মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার তাজুল ইসলাম (৪৯)।


এদের মধ্যে রমিজ উদ্দিনের দাবি, তারা তিনজন পুলিশের সোর্স। এসআই কামাল তাদের জব্দকৃত ফেনসিডিলগুলো দিয়েছেন। এসব ফেনসিডিল পাশের পার্বত্য লামা উপজেলার আজিজ নগরে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছিলেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।


তিনি আরও জানান, এসআই কামাল তাদের পেছনের একটি প্রাইভেটকারে ছিলেন। ওই গাড়ীর পেছনে ইয়াবা ছিল বলেও দাবি করেন আটক হওয়া ব্যক্তিরা। সামনের গাড়ি আটকের সঙ্গে সঙ্গে তিনি পেছনের গাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি আটক সোর্সদের।


স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র-জনতা জানায়, লোহাগড়ার থানা পুলিশের সদস্যরা মাদকদ্রব্য উদ্ধার করলেও তা আদালতে জমা না দিয়ে পাচার করে এমন অভিযোগ তারা আগেও শুনেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি বিশ্বস্ত সূত্রে তারা জানতে পারেন, এসআই কামাল হোসেন তার ব্যক্তিগত সোর্সদের ব্যবহার করে লোহাগাড়া থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক কক্সবাজারে পাচার করবেন। এরপর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার শিক্ষার্থীদের বিষয়টি যাচাই করতে অনুরোধ জানানো হয়। বিকেল ৪টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ৮ ঘণ্টা চুনতি বাজার এলাকায় অবস্থান করে ছাত্ররা এসআই কামালের সোর্সদের মাদকসহ (ফেনসিডিল) আটক করতে সক্ষম হন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা