ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সাক্ষাৎ শেয়ার বাজারে ১৫ বছরে লুট হয়েছে ১ লাখ কোটি টাকা, সংসদে রুমিন ফারহানা হজ পালনে কর্মীদের বেতনসহ ১৫ দিনের ছুটি দেবে সৌদি আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না: তারেক রহমান প্রাক্তনের প্রেমে মজেছেন হানিয়া আমির ডেমরায় কালি তৈরির কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ট্রাইব্যুনালে আসতে অস্বীকৃতি, ২ ঘণ্টা পর বাধ্য হলেন সাবেক মন্ত্রী কামরুল চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতালের দেয়াল ধসে ৭ জনের মৃত্যু শিক্ষকদের হেনস্তা করায় ছাত্রদলের ৩ নেতাকে বহিষ্কার, সভাপতির পদ স্থগিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা, গুমসহ ১ হাজার ৮৫৫ মামলা

দিনাজপুরে সবজির দামে আগুন, দিশেহারা ক্রেতা

দিনাজপুর জেলার আশপাশের হাট-বাজারে সবজির অগ্নিমূল্যে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। টানা বর্ষণে খেতের পর খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায়
  • আপলোড সময় : ২৩ আগস্ট ২০২৫, দুপুর ১২:৫২ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ আগস্ট ২০২৫, দুপুর ১২:৫২ সময়
দিনাজপুরে সবজির দামে আগুন, দিশেহারা ক্রেতা ছবি : সংগৃহীত

দিনাজপুর জেলার আশপাশের হাট-বাজারে সবজির অগ্নিমূল্যে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। টানা বর্ষণে খেতের পর খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে, কিছুদিন আগেও যেখানে সবজি ছিল হাতের নাগালে, এখন তার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনগুণ পর্যন্ত।


শনিবার (২৩ আগস্ট) সকালে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাজার ঘুরে দেখা এমন চিত্র দেখা যায়।


সরেজমিনে দেখা যায়, এক কেজি বেগুন এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, পটল ৫০ টাকায়, করলা ৮০ টাকায়, আলুর দাম দ্বিগুণ হয়ে ২০ টাকা, আর কাঁচামরিচের কেজি ২০০ টাকা, যা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এচাড়া পেঁয়াজ ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, শিম ২০০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১৬০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, প্রতিটি সবজি এখন যেন আকাশ ছুঁই ছুঁই।


রিকশাচালক মোরসেদুল রহমানের কণ্ঠে হাহাকার। সংসারে ছয়জন মানুষ খাওয়াইতে হয়। দিনে যে টাকা কামাই এই দামে সবজি কিনে সংসার চালানো একেবারেই অসম্ভব।


ফুলবাড়ি বাজারে দিনমজুর ইয়াদুদ আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে আসলেই ভয় লাগে। সব তরকারির দাম ৫০ টাকার ওপরে। যে কামাই হয় তা দিয়ে সংসার চলে না।


হিলি বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ইসতাদুল হোসেন বলেন, বর্ষায় কৃষকের খেতের সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। মোকামে পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই, আর আমদানিও কম। কিন্তু চাহিদা একই আছে, তাই দাম বাড়ছে। বর্ষা শেষ হলে উৎপাদন বাড়বে, দামও কমে যাবে।


বিরামপুর উপজেলার কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, আমার তিন বিঘা জমির সব ফসল বর্ষার পানিতে নষ্ট। যা সামান্য টিকে আছে তাই বাজারে বিক্রি করছি। দাম ভালো পেলেও এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব না।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ