দিনাজপুর জেলার আশপাশের হাট-বাজারে সবজির অগ্নিমূল্যে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। টানা বর্ষণে খেতের পর খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায়

দিনাজপুরে সবজির দামে আগুন, দিশেহারা ক্রেতা

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৩ আগস্ট ২০২৫, দুপুর ১২:৫২ সময় , আপডেট সময় : ২৩ আগস্ট ২০২৫, দুপুর ১২:৫২ সময়

দিনাজপুর জেলার আশপাশের হাট-বাজারে সবজির অগ্নিমূল্যে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। টানা বর্ষণে খেতের পর খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে, কিছুদিন আগেও যেখানে সবজি ছিল হাতের নাগালে, এখন তার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনগুণ পর্যন্ত।


শনিবার (২৩ আগস্ট) সকালে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাজার ঘুরে দেখা এমন চিত্র দেখা যায়।


সরেজমিনে দেখা যায়, এক কেজি বেগুন এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, পটল ৫০ টাকায়, করলা ৮০ টাকায়, আলুর দাম দ্বিগুণ হয়ে ২০ টাকা, আর কাঁচামরিচের কেজি ২০০ টাকা, যা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এচাড়া পেঁয়াজ ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, শিম ২০০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১৬০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, প্রতিটি সবজি এখন যেন আকাশ ছুঁই ছুঁই।


রিকশাচালক মোরসেদুল রহমানের কণ্ঠে হাহাকার। সংসারে ছয়জন মানুষ খাওয়াইতে হয়। দিনে যে টাকা কামাই এই দামে সবজি কিনে সংসার চালানো একেবারেই অসম্ভব।


ফুলবাড়ি বাজারে দিনমজুর ইয়াদুদ আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে আসলেই ভয় লাগে। সব তরকারির দাম ৫০ টাকার ওপরে। যে কামাই হয় তা দিয়ে সংসার চলে না।


হিলি বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ইসতাদুল হোসেন বলেন, বর্ষায় কৃষকের খেতের সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। মোকামে পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই, আর আমদানিও কম। কিন্তু চাহিদা একই আছে, তাই দাম বাড়ছে। বর্ষা শেষ হলে উৎপাদন বাড়বে, দামও কমে যাবে।


বিরামপুর উপজেলার কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, আমার তিন বিঘা জমির সব ফসল বর্ষার পানিতে নষ্ট। যা সামান্য টিকে আছে তাই বাজারে বিক্রি করছি। দাম ভালো পেলেও এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব না।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯