ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত ছাড়ার নির্দেশে পেছাতে পারে ইমরান খানের কামব্যাক সিনেমা দেশে এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা মনে হচ্ছে, এক লুটেরার হাত থেকে অন্য লুটেরার হাতে ক্ষমতা গেছে: জামায়াত আমির ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কার দিয়ে বিপাকে ইনফান্তিনো আইনজীবী পরিচয় দিলেও বার পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন মার্কিন প্রেস সচিব 'বাড়ি ফিরে যাও', যুক্তরাজ্যে ভারতীয় তিন শিক্ষার্থীকে হেনস্তা ‘মাদার অব অল বম্বস’ কতটা বিধ্বংসী? মাত্রাতিরিক্ত ভর্তি-টিউশন ফি, তবু টানা চার বছর বেড়েছে ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থী হেমন্ত এলো ধূসর বিবর্ণে, হিমেল হাওয়ায় জানুয়ারি-জুন প্রান্তিকে সিএসআর খাতে ব্যাংকগুলোর ব্যয় কমেছে

সরকারি চাকরিজীবীরা আন্দোলন করলে বাধ্যতামূলক অবসর

‘সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’ -এর গেজেট প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার রাতে প্রকাশিত অধ্যাদেশের গেজেট অনুযায়ী,
  • আপলোড সময় : ২৪ জুলাই ২০২৫, বিকাল ৭:২৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২৪ জুলাই ২০২৫, বিকাল ৭:২৭ সময়
সরকারি চাকরিজীবীরা আন্দোলন করলে বাধ্যতামূলক অবসর
‘সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’ -এর গেজেট প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার রাতে প্রকাশিত অধ্যাদেশের গেজেট অনুযায়ী, সরকারি কোনো চাকরিজীবী আন্দোলন করে অন্য সরকারি কর্মচারীর কাজে বাধা দিলে বা কাজ থেকে বিরত রাখলে, তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত বা বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া যাবে বলে খবরে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত গেজেটটিতে সরকারের ‘বৈধ আদেশ’ অমান্য করাকে ‘সরকারি কর্মে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অসদাচরণ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশোধিত অধ্যাদেশের ৩৭ ধারায় ‘সরকারি কর্মচারীদের আচরণ ও দণ্ড সংক্রান্ত বিশেষ বিধানে’ বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করেন, আইনসংগত কারণ ছাড়া সরকারের কোনো আদেশ, পরিপত্র ও নির্দেশ অমান্য করেন বা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত করেন বা এসব কাজে অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীকে প্ররোচিত করেন, তাহলে সেটি সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টিকারী ‘অসদাচরণ’ গণ্য হবে।

একইভাবে, ছুটি বা যুক্তিসংগত কারণ ব্যতিত সরকারের অন্যান্য কর্মচারীদের সাথে সমবেতভাবে কাজে অনুপস্থিত বা বিরত থাকেন কিংবা অন্য কর্মচারীদের কাজ করতে বাধা দেন, তাহলে সেটিও ‘অসদাচরণ’ বলে বিবেচিত হবে।

এ ধরনের অসদাচরণের জন্য শাস্তি হিসেবে সরকারি চাকরিজীবীদের নিম্নপদে বা নিম্নবেতন গ্রেডে নামিয়ে দেয়া, বাধ্যতামূলক অবসর, এমনকি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা যাবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া শাস্তি নিশ্চিতে এক সদস্যের বদলে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। কমিটিতে একজন নারী সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রয়েছে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও।

তবে আগের অধ্যাদেশের মতো রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ সংশোধিত অধ্যাদেশে রাখা হয়নি।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা