ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে তেলের দাম কম ছিল, পাচারের ঝুঁকি ঠেকাতে বেড়েছে দাম: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এশিয়ান গেমস: মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, বাংলাদেশের বিদায় মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম মারা গেছেন ভোট চলাকালে মস্কোয় ইউক্রেনের হামলা, তবুও পুতিনের দলের বড় জয় নজরুলের এমপি পদের বিষয়ে সংসদের চিঠির অপেক্ষায় ইসি ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢালাই সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূতে ধরেছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির ইবিতে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই বিভাগের সংঘর্ষে আহত ১০ ডায়ানার মৃত্যুর কদিন পর চার্লস বলেছিলেন, মানুষ ‘খুব শিগগির’ তাকে ভুলে যাবে

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল : গুম কমিশনের প্রতিবেদন

আন্তঃরাষ্ট্রীয় গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা। দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে
  • আপলোড সময় : ২৩ জুন ২০২৫, দুপুর ৩:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ জুন ২০২৫, দুপুর ৩:৪৪ সময়
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল : গুম কমিশনের প্রতিবেদন ছবি : সংগৃহীত
আন্তঃরাষ্ট্রীয় গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা। দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গুম হওয়া ব্যক্তিদের আদান-প্রদান করত। গুম কমিশনের দ্বিতীয় প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। গত ৪ জুন এই প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. ইউনূসের কাছে জমা দেয় কমিশন।

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অনেক নাগরিককে গুম করে অবৈধভাবে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হতো, আবার ভারত থেকেও অনেককে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হতো-পাঠিয়ে দেওয়া হতো। দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের চাওয়া ও প্রয়োজন অনুযায়ী গুম করে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে আদান-প্রদান করা হতো। এই কর্মকাণ্ডকে কমিশন ‘আন্তঃরাষ্ট্রীয় গুম প্রক্রিয়া’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

প্রতিবেদনে অন্তত পাঁচজন গুম হওয়া ভুক্তভোগী ব্যক্তির জবানবন্দি নিয়েছে কমিশন।

যারা গুমের পর ভারতে পাচার এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি প্রথমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। পরে বাংলাদেশের ডিজিএফআই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে প্রস্তাব পাঠায়, যাতে আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কোনো আদালতের অনুমতি বা নথিভুক্ত মামলার ভিত্তি ছাড়াই বিচারবহির্ভূতভাবে এই পুরো প্রক্রিয়া হয়।

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নামে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও, ব্যক্তি অধিকার ও মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। একাধিক ঘটনায় দেখা গেছে, ভারত থেকে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের আবার ডিজিএফআই ও র‍্যাবের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতন করা হয়েছে। কাউকে কাউকে আবারও নিখোঁজ করে ফেলা হয়েছে, যার কোনো খোঁজ পরিবারের কাছে নেই।

গত ১৯ জুন রাজধানীর গুলশানে একটি সংবাদ সম্মেলনে গুম সংক্রান্ত কমিশনের সভাপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা গুমের সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাদের বিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। কারণ সেটি আমাদের জুরিসডিকশনের বাইরে।

তবে বাংলাদেশে যাদের সম্পৃক্ততা পাচ্ছি তাদের বিষয়ে মামলা করার জন্য পুলিশকে চিঠি দিয়েছি। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও ৫-৬টি মামলার কার্যক্রম চলছে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করবে দুদক

আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করবে দুদক