ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার'

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটের সামনেই শেষবারের মতো দেখতে হল মৃত মা কে

মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদের। তবে, জেলগেটেই মৃত মায়ের
  • আপলোড সময় : ৩ জুন ২০২৫, দুপুর ১০:৪৩ সময়
  • আপডেট সময় : ৩ জুন ২০২৫, দুপুর ১০:৪৩ সময়
প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটের সামনেই শেষবারের মতো দেখতে হল মৃত মা কে ছবি : সংগৃহীত
মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদের। তবে, জেলগেটেই মৃত মায়ের মুখ শেষবারের মতো দেখার সুযোগ মিলেছিল।

তার মা সালেহা বেগম (৮০) সোমবার (২ জুন) বিকেলে তিনি মারা যান। সোমবার (২ জুন) রাত সোয়া ৮টায় জেল গেটেই শেষবারের মতো মৃত মায়ের মুখ দেখেছিলেন তিনি। এরপরে তাকে আবার কারাগারের ভেতরে নেওয়া হয়।

জানা গেছে, আসাদ রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এমপি হয়েছিলেন। গেল বছরের ৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকারের পতন হলে তিনি ঢাকায় গ্রেপ্তার হন। এখন তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

স্বজনেরা জানান, তার মৃত্যুর পর বড় ছেলে আসাদুজ্জামানের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু, নিরাপত্তাজনিত কারণে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি। তবে, সুযোগ দেওয়া হয়েছিল জেল গেটে মৃত মায়ের মুখটি দেখার।

জানা গেছে, আসাদুজ্জামান রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তারা ৭ ভাই-বোন। এর মধ্যে পাঁচ ভাই সরাসরি আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আসাদুজ্জামান কারাগারে, অন্য চারভাইও আত্মগোপনে। তবে আত্মগোপনে থাকা চার ভাইও মায়ের মুখ দেখার সুযোগ পাননি। শুধু এসেছিলেন সালেহা বেগমের তৃতীয় সন্তান আক্তারুজ্জামান। ভাই এমপি হলেও তিনি কোনো রাজনীতিতে জড়াননি। জীবিকা নির্বাহ করেন প্রাইভেটকার চালিয়ে৷

সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় রাজশাহী নগরের মহিষবাথান গোরস্তানের পাশে জানাজা শেষে সালেহা বেগমের মরদেহ দাফন করা হয়। 

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে কুলসুম সম্পা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সাবেক এমপি আসাদের চাচা দরখাস্ত দিয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন কারা ফটকে মৃত মাকে দেখার ব্যবস্থা করতে। তাই করা হয়েছে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?