ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার'

দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের আটটি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে
  • আপলোড সময় : ৩ জুন ২০২৫, সকাল ৯:২৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৩ জুন ২০২৫, সকাল ৯:২৪ সময়
দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের আটটি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে উল্লিখিত এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও, আরেকটি আবহাওয়া বার্তায় জানানো হয়, আগামী কয়েক দিন দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় মাঝারি মাত্রার ভারি বর্ষণও হতে পারে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?