১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে জনগনের দ্বারে দ্বারে গিয়েছিলেন। মানুষ তাকে ভোট দিয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধু সেদিন একক নেতায় পরিণত হয়েছিল। সেই বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলার মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেন নাই, একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশ দিয়েছেন। স্বাধীনতা কথাটি আমাদের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন। আমাদেরকে স্বাধীনতার শর্তটি উপহার দিয়েছেন।
পুরো বিশ্বে আজ স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে গর্ব করে বলতে পারি আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। জাতি হিসেবে আমরা বাঙ্গালী। এটা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর সেটি বঙ্গবন্ধু দিতে পেরেছিলেন বাংলার নাগরিকদের কারণে, একটি ভোটের কারণে। একটি ভোট কত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে সেটি তিনি প্রমাণ করে গেছেন। একটি ভোট কিভাবে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে সেটি শিখিয়েছেন।
রোববার (২ জুন) সকালে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের গোদাবাড়ী গ্রামে কামবালা নিবাস হস্তান্তর উপলক্ষ্যে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী একথা গুলো বলেন।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক জীবনে একটা বিরল অভিজ্ঞতা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হয়েছে। আমি এতদিন রাজনীতি করে যা শিক্ষা লাভ করি নাই, আমাদের ৯২ বছর বয়সী বৃদ্ধা কামবালা আমাকে সেই শিক্ষাটা দিয়েছে। একটি ভোট, একটি এলাকার জন্য, একটি দেশের জন্য, সমগ্র গোষ্ঠীর জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ। সেটা কামবালার জন্য শিক্ষাটা লাভ করেছি। আমার রাজনৈতিক জীবনে বিরল ঘটনা। কামবালা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শ্রেষ্ঠ ভোটার।
এসময় জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ, পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ, উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বহ্নি শিখা আশা, বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মাওলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সবুজার সিদ্দিক সাগর ও সাধারণ সম্পাদক রমা কান্ত রায় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন