গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের এক ঊর্ধ্বতন জেনারেল নিহত হওয়ার পর ১৩ এপ্রিল ইরান ৩০০টিরও বেশি ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইজ়রায়েলে।
সপ্তাহ ঘোরার আগেই ‘জবাব’ দিল ইজ়রায়েল। ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইস্পাহান শহরের কাছে একটি পারমাণবিক স্থাপনার সুরক্ষায় নিয়োজিত রাডার ব্যবস্থা লক্ষ্য করে ইসরায়েল ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার ভোরে ইরানে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে এ তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এবিসি, সিবিএস এবং সিএনএন, অন্যান্য মিডিয়া মধ্যপ্রাচ্যের সময় শুক্রবার ভোরে হামলার কথা জানিয়েছে। হোয়াইট হাউস থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও ইসরায়েল প্রথমে ইরানকে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ারই পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তারা পিছু হটে। বড় ধরনের যুদ্ধ এড়াতে খুব সতর্কভাবে মাপজোখ করে সীমিত আকারে ইরানের হামলার জবাব দিয়েছে ইসরায়েল।
ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে বিপজ্জনক দিকে মোড় নিয়েছিল তার প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা নেতারা ইসরায়েলকে সংযত থেকে একটা সীমারেখা টানার আহ্বান জানাচ্ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন, ইরানের অভ্যন্তরে ইসরায়েলের বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়। হামলার কিছুক্ষণ আগে ইসরায়েলের পরিকল্পনা সম্পর্কে ওয়াশিংটনকে অবহিত করা হয়েছিল- এমন প্রতিবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করতে তিনি অস্বীকার করেছেন।
ইতালির ক্যাপ্রিতে জি-সেভেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আপনারা যে প্রতিবেদনে দেখেছেন, আমি তা নিয়ে কথা বলবো না। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, যুক্তরাষ্ট্র কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে জড়িত নয়।”
স্টাফ রির্পোটার
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন