ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু হাসপাতালের কক্ষে বসে চিকিৎসকের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শাহজালালে এখন পর্যন্ত ১১৪ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৭,৭০১ যাত্রী খালিদুজ্জামান ফ্যাসিবাদের ১৬ বছরে ১৬ সেকেন্ডের জন্যও রাজপথে নামেনি: রাশেদ খাঁন হরতাল-অবরোধ দিয়ে দেশ অচলকারীদের সঙ্গী বর্তমান বিরোধী দল: পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি ‘ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার, নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’ জুলাই সনদ পাশ কাটিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: আলী রীয়াজ কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: নিহত ৬ পর্যটকের পরিচয় শনাক্ত সব হাসপাতালের লাইব্রেরিতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা ৩ বই রাখার নির্দেশ কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ অ’গ্নিকাণ্ডের পর লাপাত্তা রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বৈঠক

স্মার্টফোনের মাধ্যমে সরকার প্রতিটি লোকের ওপর নজরদারি করছে : ফখরুল

স্মার্টফোনের মাধ্যমে সরকার দেশের প্রতিটি লোকের ওপর নজরদারি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সোমবার
  • আপলোড সময় : ২৫ মার্চ ২০২৪, দুপুর ২:৩ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ মার্চ ২০২৪, দুপুর ২:৩ সময়
স্মার্টফোনের মাধ্যমে সরকার প্রতিটি লোকের ওপর নজরদারি করছে : ফখরুল ছবি : সংগৃহীত
স্মার্টফোনের মাধ্যমে সরকার দেশের প্রতিটি লোকের ওপর নজরদারি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২৫ মার্চ) নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মানুষ যখনই কথা বলতে চায়, বিদ্রোহ করতে চায়, তখনই তাকে তুলে নেওয়া হয়। এই ভয়াবহ ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লড়াই করা এতো সহজ নয়। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি, এখনো চালাচ্ছি। জনগণকেও আমাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, তাহলেই বিজয় আসবে।

ফখরুল বলেন, জোর করে ক্ষমতা দখলকারী সরকার আজ মানুষের বুকে চেপে বসেছে। অথচ তাদের ক্ষমতায় বসার কোনো বৈধতা নেই। এরা ১৯৭৫ সালেও বাকশালের মাধ্যমে প্রতারণা করেছিল, আর এখন ছদ্মবেশী গণতন্ত্রের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

তিনি বলেন, যে ভোটাধিকারের মাধ্যম দেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, সে অধিকার আজ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আজ সত্য কথা বললেই গ্রেপ্তার করা হয়। আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন করতে চেয়েছি, তা নিয়ে সংগ্রাম করেছি। খালেদা জিয়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হওয়ার একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন, যে নির্বাচন হবে একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে। কিন্তু এসব কিছুই বাস্তবায়ন না করে বাকশালের মত একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে। আর এজন্য দেশের যাবতীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি স্থানে দলীয় লোক বসানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে একটি স্বপ্ন নিয়ে এ দেশটা স্বাধীন করা হয়েছিল, আর তা হলো রাষ্ট্রের মালিক হবে তারা (জনগণ)।এরপর যখন সংবিধান তৈরি করা হলো, সেখানে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল দেশের মালিক হবে জনগণ। অথচ দুর্ভাগ্য এই যে স্বাধীনতার ৫২ বছর পর এদেশের মানুষ তার দেশের মালিকানা হারিয়েছে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ভারতে এখন আন্দোলন করতেও গুনতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা

ভারতে এখন আন্দোলন করতেও গুনতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা