ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারকে বিব্রত করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন গোলাম পরওয়ার: রিজভী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঘিরে ঢাকা-নারিতা রুটে বিমানের ফ্লাইট দ্বিগুণ অটোরিকশায় এসে আসিফ আকবরের গাড়িতে হামলা: পুলিশ রাষ্ট্রদূতকে ফি‌রিয়ে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একান্ত সিদ্ধান্ত: শামা ওবায়েদ ইসলাম আমরা শান্তি মুচলেকায় স্বাক্ষর করব না: নেহা বোরা ‘জামায়াত আমিরের ডিভাইস না দেওয়ার পেছনে বড় অপরাধ লুকানোর বিষয় আছে’ মাদ্রাসাশিক্ষককে সপাটে চড়ের ঘটনায় মুখ খুলেছেন ভুক্তভোগীর বাবা ২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামিয়েছিলাম, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প মেসিকে নিয়ে বার্সেলোনার আবেগঘন বার্তা অজু আছে কিনা সন্দেহ হলে কী করবেন?

অজু আছে কিনা সন্দেহ হলে কী করবেন?

অজু করার পর নামাজের মধ্যে হঠাৎ মনে হলো, অজু ভেঙে গেছে! এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই নামাজ থামিয়ে দেন, আবার
  • আপলোড সময় : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:১৬ সময়
  • আপডেট সময় : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:১৬ সময়
অজু আছে কিনা সন্দেহ হলে কী করবেন?

অজু করার পর নামাজের মধ্যে হঠাৎ মনে হলো, অজু ভেঙে গেছে! এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই নামাজ থামিয়ে দেন, আবার কেউ কেউ দ্বিধায় পড়ে যান—নামাজ চালিয়ে যাবেন, নাকি নতুন করে অজু করবেন? অথচ এ বিষয়ে ইসলামে রয়েছে স্পষ্ট নির্দেশনা, যা জানা থাকলে অযথা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।ইসলামে নামাজ আদায়ের অন্যতম শর্ত হলো পবিত্রতা অর্জন করা। অজু ছাড়া নামাজ আদায় করা যায় না। তবে অজু করার পর শুধু সন্দেহ তৈরি হলেই অজু ভেঙে যায় না। অজু ভঙ্গের কোনো কারণ ঘটেছে বলে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আগের অজু বহাল থাকবে।


এ বিষয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সহিহ বুখারির ১৩৭ নম্বর হাদিসে এসেছে, নামাজের মধ্যে কারও বায়ু বের হওয়ার সন্দেহ হলে, শব্দ শোনা বা গন্ধ পাওয়ার মতো নিশ্চিত প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত সে যেন নামাজ ছেড়ে না দেয়। অর্থাৎ, শুধু মনে হলো বায়ু বের হয়েছে, কিংবা এমন হতে পারে—এ ধরনের সন্দেহের কারণে অজু নষ্ট হয়েছে বলে ধরে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে বায়ু বের হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলে অজু ভেঙে যাবে এবং নামাজ আদায়ের আগে নতুন করে অজু করতে হবে।


এখানে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি হলো, নিশ্চিত বিষয় কেবল সন্দেহের কারণে বাতিল হয়ে যায় না। তাই বারবার সন্দেহের কারণে অজু করা কিংবা নামাজ ভেঙে ফেলা থেকে বিরত থাকা উচিত। তবে যাঁদের ঘনঘন বায়ু বের হওয়া বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে অজু ধরে রাখা কঠিন, তাঁদের জন্য রয়েছে বিশেষ বিধান।


হানাফি ফিকহ অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে কাউকে শরিয়তসম্মত ওজরগ্রস্ত বা মাযূর হিসেবে গণ্য করা হয়। এ ক্ষেত্রে একটি পূর্ণ নামাজের ওয়াক্তজুড়ে এমন পরিস্থিতি থাকতে হয়, যাতে অজু করে ফরজ নামাজ আদায় করার মতো বিরতিও পাওয়া যায় না। মাযূর ব্যক্তিকে প্রত্যেক নামাজের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর নতুন করে অজু করতে হয়। এরপর ওই ওয়াক্তে ফরজ, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায় করা যায়। তবে অন্য কোনো কারণে অজু ভেঙে গেলে নতুন করে অজু করতে হবে। পরবর্তী ওয়াক্ত শুরু হলে আবার অজু করতে হবে। তাই অজু ভেঙেছে কি না, এমন সন্দেহ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিন। আর দীর্ঘদিন ধরে অজু ধরে রাখতে সমস্যা হলে নিজের পরিস্থিতি জানিয়ে অভিজ্ঞ আলেম বা মুফতির পরামর্শ নিন। এতে ইসলামের বিধান মেনে নিশ্চিন্তে নামাজ আদায় করা সহজ হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ব্যালন ডি’অরের বিশেষ ভোটে শীর্ষে রোনালদো, ধারে কাছেও নাই মেসি

ব্যালন ডি’অরের বিশেষ ভোটে শীর্ষে রোনালদো, ধারে কাছেও নাই মেসি