ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

ঈশ্বরদীতে মুফতি আমির হামজার ওয়াজ মাহফিল ঘিরে নতুন আলোচনা! ধর্মীয় মঞ্চে রাজনৈতিক বক্তব্য, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণ
  • আপলোড সময় : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫২ সময়
  • আপডেট সময় : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫২ সময়
আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

ঈশ্বরদীতে মুফতি আমির হামজার ওয়াজ মাহফিল ঘিরে নতুন আলোচনা! ধর্মীয় মঞ্চে রাজনৈতিক বক্তব্য, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণ বন্ধের দাবিতে এবার প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তবে আয়োজকদের মাহফিল বন্ধের দাবি নয়, বরং ধর্মীয় আলোচনাকে রাজনীতিমুক্ত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।


পাবনার ঈশ্বরদীতে গত ১৭ অক্টোবর শনিবার বিকেল চারটার দিকে এলাকাবাসীর পক্ষে ঈশ্বরদী থানায় এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। সাহাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা ইসমাইল হোসেন মহন থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত জামাল উদ্দিনের কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ধর্মীয় আলোচনা ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়াতে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। কিন্তু ধর্মীয় মঞ্চে রাজনৈতিক বক্তব্য, দলীয় প্রচার কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হলে স্থানীয় পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে রাজনৈতিক ও উসকানিমূলক বক্তব্য বন্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।


স্মারকলিপি প্রদানকারী ইসমাইল হোসেন মহন জানান, তারা ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করার পক্ষে নন। তাদের দাবি, ধর্মীয় মঞ্চে যেন রাজনৈতিক, কুরুচিপূর্ণ কিংবা উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া না হয়। ঈশ্বরদীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক বক্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে মুক্ত রাখার উদ্দেশ্যেই প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।


তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ইসলামি মঞ্চে রাজনৈতিক ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের পরিস্থিতি যেন ঈশ্বরদীতেও সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে জন্য আগেভাগেই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। স্মারকলিপিতে আরও কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ওয়াজ মাহফিলের বক্তব্য কোরআন-হাদিসের আলোচনা ও ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে মানহানিকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য বন্ধ করা এবং পুরো বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা। ধর্মীয় মাহফিলের মূল উদ্দেশ্য ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিকতার চর্চা। তাই আয়োজকদের বক্তব্য, ধর্মীয় আলোচনা যেন রাজনৈতিক বিরোধ কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণের ক্ষেত্র হয়ে না ওঠে, সেই প্রত্যাশাই স্মারকলিপিতে তুলে ধরা হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মহানবী (সা.)–কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, জাবিতে স্থায়ী বহিষ্কারসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ

মহানবী (সা.)–কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, জাবিতে স্থায়ী বহিষ্কারসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ