ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

‘আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থানের উন্নয়নে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে’

বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাস—বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর বাড়াতে একের পর এক নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ
  • আপলোড সময় : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ৩:৪২ সময়
  • আপডেট সময় : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ৩:৪২ সময়
‘আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থানের উন্নয়নে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে’

বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাস—বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর বাড়াতে একের পর এক নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এবার ইউরোপের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তুতি চলছে। এ নিয়ে আগামী অক্টোবরেই চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় এই চুক্তির বিষয়টি সামনে আসে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির কথা জানান।


মাহদী আমিন জানান, দেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণ এবং নতুন নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর পরিকল্পনা থেকেই নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাত্রী চাহিদার ভিত্তিতে বিমান বহর বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি জানান। বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন চুক্তির ফলে বিমান বাংলাদেশের মোট বোয়িং উড়োজাহাজের অর্ডার ২৫টিতে দাঁড়িয়েছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে এপ্রিল মাসে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য চুক্তি হয়েছিল। নতুন ১১টি উড়োজাহাজ সেই অর্ডারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।


এদিকে এবার এয়ারবাসের কাছ থেকেও ১০টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এয়ারবাসের প্রস্তাব মূল্যায়নে গঠিত কারিগরি ও আর্থিক কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রস্তাবিত ১০টি উড়োজাহাজের মধ্যে চারটি বড় আকারের এবং ছয়টি মাঝারি আকারের উড়োজাহাজ রাখার পরিকল্পনার কথা উঠে এসেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের শেষ অথবা অক্টোবরের শুরুতেই এয়ারবাসের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি হতে পারে বলে আগের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল। এখন বিমানমন্ত্রীও অক্টোবরের মধ্যে চুক্তির কথা জানিয়েছেন। অর্থাৎ বোয়িংয়ের পর এয়ারবাসের সঙ্গেও চুক্তি হলে বিমান বাংলাদেশের বহর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আরও বড় আকার পাবে।


বিমান বাংলাদেশ বর্তমানে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তবে উড়োজাহাজের সংখ্যা ও কারিগরি সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে অনুমোদিত কিছু রুটেও নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। কোনো উড়োজাহাজ কারিগরি ত্রুটিতে পড়লে শিডিউলেও প্রভাব পড়ছে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে দীর্ঘমেয়াদে বহরের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালু এবং বিদ্যমান রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এসব উড়োজাহাজের ক্রয়মূল্য, অর্থায়ন, সরবরাহের সময়সূচি এবং চূড়ান্ত চুক্তির শর্তগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।


অর্থাৎ এখন বিমান বাংলাদেশের সামনে একসঙ্গে দুই বড় উড়োজাহাজ নির্মাতার সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি রয়েছে। বোয়িংয়ের ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির পর অক্টোবরেই এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজের চুক্তি হলে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার বহর সম্প্রসারণে এটি হবে বড় একটি পরিবর্তন। এখন অপেক্ষা চূড়ান্ত চুক্তি ও উড়োজাহাজ সরবরাহের সময়সূচি কী হয়, তা দেখার।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, ‘আশা’ যুক্তরাষ্ট্রের

শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, ‘আশা’ যুক্তরাষ্ট্রের