ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যা: আসামিদের পক্ষে লড়বেন না কোনো আইনজীবী ধরা পড়া মার্কিন ডুবো ড্রোনের প্রযুক্তি নকল করবে ইরান শাটডাউনে অচল চুয়েট, উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মাদক ও মোবাইল আসক্তিতে বিপন্ন কিশোর-তরুণ সমাজ! একটি বিলের অপমৃত্যু, বারবার ফিরে আসে যার প্রাসঙ্গিকতা দেড় বছর আগে অপ্রতিমের মায়ের হাতে গাঁজাসহ আটক হয়েছিল আসামি ফাহাদ বাড়ছে ব্যয়, কমছে আয়; সংসার চালাতে হিমশিম জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘ধূলিসাৎ’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ঢাকা থেকে বিপুল মাদক নিয়ে কুয়েত বিমানবন্দরে আটক বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয়

শেরপুরে ১০ বিসিআইসি সার ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের বিপুল পরিমাণ সার কালোবাজারে বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে করা মামলায় ১০ জন সার
  • আপলোড সময় : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৩৩ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৩৩ সময়
শেরপুরে ১০ বিসিআইসি সার ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের বিপুল পরিমাণ সার কালোবাজারে বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে করা মামলায় ১০ জন সার ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রি করে বাজারে সংকট তৈরি করা হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকেলে তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান।


কারাগারে যাওয়া ১৫ আসামির মধ্যে সার ডিলার হিসেবে রয়েছেন ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন। এছাড়া ডিলার পরিচালনাকারী হিসেবে আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতনের নাম রয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলার ১৫ জন সার ডিলারসহ মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়। মামলাটি করেন সাবেক উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন।


মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শনের সময় সার বিক্রির রেজিস্টার ও নগদ বিক্রির রসিদ জব্দ করা হয়। পরে এসব নথি যাচাই করে সার বিক্রির ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বেশি মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। একপর্যায়ে কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।


মামলার আসামিরা এর আগে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার তাঁরা শেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং নতুন করে জামিনের আবেদন জানান। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল মান্নান বলেন, আসামিদের আগাম জামিনের মেয়াদ এক দিন আগে শেষ হয়েছিল। মঙ্গলবার তাঁরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিচারক আবেদনটি নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে মামলায় করা এসব অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ভিডিও ভাইরালের পর ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে বাদ পড়ছেন পাভেল?

ভিডিও ভাইরালের পর ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে বাদ পড়ছেন পাভেল?