ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মুশফিকের ফিফটিতে বড় লিডের পথে বাংলাদেশ পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি ভারত কখনো মোদির মতো এমন কাপুরুষ দেখেনি: মুক্তির পর অভিজিৎ দিপকে ‘হু ইজ হাদি?’: নুরের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা রফিকুল ইসলাম মাদানির শপথের পর এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: আমির হামজা নভেম্বরেই রোনালদোকে দলে ফেরাতে চান পর্তুগালের ফুটবলপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের আশ্বাস ‘ভয় পাইছে, ভয় পাইছে’: সাক্ষীর উদ্দেশ্যে পলক ছুটি ঘোষণা করে নতুন জাতীয় দিবসের পরিপত্র জারি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, চেন্নাইয়ে রোড শো করছেন মোদি

জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা
  • আপলোড সময় : ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৩২ সময়
  • আপডেট সময় : ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৩২ সময়
জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সাহিত্যের এই বিদ্রোহী কবি। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক। ১৮৯৯ সালের ২৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। শৈশব থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেড়ে ওঠেন তিনি। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সাহিত্যচর্চা চালিয়ে গিয়ে বাংলা সাহিত্যকে উপহার দেন অসংখ্য কালজয়ী কবিতা, গান, গজল, হামদ, নাত, নাটক ও শ্যামাসংগীত।


নজরুলের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প সময়ের মধ্যেই তার সাহিত্যকর্ম মানুষের মধ্যে জাগিয়েছে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সাহস। তিনি শুধু সাহিত্যচর্চাই করেননি, মানবমুক্তির প্রত্যাশায় সংগ্রামেও যুক্ত হয়েছিলেন। তার কবিতা ও গানে বারবার উঠে এসেছে সাম্য, মানবতা ও স্বাধীনতার কথা। শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে তার দৃঢ় অবস্থান তাকে বাঙালির চেতনায় চিরস্থায়ী আসন দিয়েছে।


বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয়ভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে।


১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার