রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া ‘মিজানের ভাতের হোটেল’ উচ্ছেদ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ফুটপাত ও সড়ক দখল করে অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে হোটেলটির অবৈধ অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
রোববার দুপুরে আগারগাঁও এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ‘মিজানের ভাতের হোটেল’-এর অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাফরুল থানা পুলিশ সহযোগিতা করে। পুলিশ জানায়, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কাফরুল এলাকার সড়ক ও ফুটপাতের একটি অংশ দখল করে অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করে খাবারের ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এতে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সড়কে যানজটও তৈরি হচ্ছিল।
এর আগে গত ১০ আগস্ট আগারগাঁও এলাকায় তার দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে পুলিশের এক সদস্যকে বোতল দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। পরে তাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওই সময় তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিজানের খাবার পরিবেশন ও স্বল্পমূল্যে ভাত বিক্রির বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই হোটেলটি ব্যাপক পরিচিতি পায়। কম দামে খাবার পরিবেশনের কারণে অনেকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল এটি। তবে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি ফুটপাত ও সড়ক দখল করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও সামনে আসে। শেষ পর্যন্ত নগর কর্তৃপক্ষের অভিযানে সরিয়ে দেওয়া হলো আলোচিত সেই ‘মিজানের ভাতের হোটেল’।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন