ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার'

এসএসসি পরীক্ষা: গাইবান্ধার দুই বিদ্যালয়ে শতভাগ ফেল

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধায় ঘটেছে ব্যতিক্রমী ঘটনা। জেলার দুটি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই
  • আপলোড সময় : ১১ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়
এসএসসি পরীক্ষা: গাইবান্ধার দুই বিদ্যালয়ে শতভাগ ফেল

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধায় ঘটেছে ব্যতিক্রমী ঘটনা। জেলার দুটি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অর্থাৎ বিদ্যালয় দুটিতে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। বিদ্যালয় দুটি হলো পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।


মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন জানান, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০০৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে সেখানে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। একজন প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১১ জন শিক্ষক ও পাঁচজন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। তারা নিয়মিত বেতন-ভাতাও পাচ্ছেন। তবে এবারের এসএসসি ফলাফল বিদ্যালয়টির জন্য বড় ধরনের হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তিনজনই মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী এবং তারা গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে।


প্রধান শিক্ষক জানান, বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক মো. ফারুক খালেক দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ। বর্তমানে তিনি একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন। শিক্ষক সংকটের কারণে গণিত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে সমস্যা হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকেও এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।


বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাকী বিল্লাহ জানান, ১৯৮৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৭ সালে জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে এমপিওভুক্ত হয়। চলতি বছরই প্রথমবারের মতো বিদ্যালয়টি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি পাওয়া যায়। প্রথমবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বিদ্যালয়টির পাঁচজন শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে সাতজন শিক্ষক ও ছয়জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন এবং তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন।


দুটি বিদ্যালয়েই শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করার ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে এমপিওভুক্ত বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এমন ফলাফল কেন হলো, তা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জানান, এমপিওভুক্ত কোনো বিদ্যালয় থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করার মতো ফলাফল প্রত্যাশিত নয়। কী কারণে এমন ফল হয়েছে, তা জানতে বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষকদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।


তিনি আরও জানান, বিদ্যালয় দুটি শিগগিরই পরিদর্শন করা হবে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফলকে ঘিরে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যালয় দুটির শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক উপস্থিতি এবং পাঠদানের মানসহ সার্বিক বিষয় তদন্তের পরই শতভাগ অকৃতকার্যের প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?