ঢাকা | |

সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কারকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে
  • আপলোড সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৬:৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৬:৮ সময়
সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কারকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নতুন যাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর বিবর্তনের ধারায় যেসব গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলো সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ জন্য সব রাজনৈতিক দল এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব প্রণয়ন করা হবে। তিনি জানান, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য পাঁচজন সদস্যের নাম এখনো পাওয়া যায়নি। তবে তারা নাম দিলে তা গ্রহণ করা হবে এবং আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। সংসদের ভেতরে ও বাইরে থাকা সব বিরোধী দল, সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত গ্রহণে কমিটি উন্মুক্ত থাকবে। কেউ সরাসরি উপস্থিত হয়ে কিংবা লিখিতভাবে মতামত দিলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।


বিরোধী দলের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তাদের আমরা সবসময় স্বাগত জানাব।” সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কমিটির সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব রয়েছে।


তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার আলোকে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।


জুলাই জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে তিনি জানান, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবে যুক্ত করা হবে। আর যেসব বিষয়ে ভিন্নমত রয়েছে, সেগুলোও যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহার এবং আলোচনায় উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া হবে। তিনি বলেন, লক্ষ্য একটাই—সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য, টেকসই এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটায় এমন সংবিধান সংশোধনী প্রণয়ন করা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
নলডাঙ্গা কি শুধুই জমিদারি—ইতিহাস নতুনভাবে পড়ছেন ইমদাদুল হক সোহাগ

নলডাঙ্গা কি শুধুই জমিদারি—ইতিহাস নতুনভাবে পড়ছেন ইমদাদুল হক সোহাগ