যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে আরোপিত জোরপূর্বক শ্রম-সংশ্লিষ্ট আমদানি শুল্কের বৈধতা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে দেশটির ২৫টি অঙ্গরাজ্য। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের নেতৃত্বাধীন এসব অঙ্গরাজ্য শুল্ক আরোপের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের করেছে। স্থানীয় সময় সোমবার নিউইয়র্কের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতে মামলাটি করা হয়। মামলায় শুল্ক কার্যকর করার প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত, এটিকে বেআইনি ঘোষণা এবং আদায় করা অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ চেয়েছেন বাদীপক্ষ।
এর আগে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে আদালতের এক রায়ে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যায়। এরপর নতুন নীতির আওতায় জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানির অভিযোগ তুলে ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়। নতুন ব্যবস্থায় কয়েকটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ এবং অন্য কয়েকটির ওপর সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে, যার ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের একটি ধারা ব্যবহার করেছে। ওই আইনে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের সুযোগ রয়েছে। তবে মামলার আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে, এই শুল্ক আরোপের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট তার সাংবিধানিক ও আইনি
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন