ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেন শেখ হাসিনা বক্তব্য দিতে না পারেন, সহযোগিতার প্রত্যাশা বাংলাদেশের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা, হাসিনার পতনের ইঙ্গিত হরমুজ প্রণালিতে একক পথ তৈরি করতে ওমানের সঙ্গে বৈঠকে ইরান ক্ষমা চাওয়ায় ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে না ইরান গিমাইরেসকে পেতে আর্সেনালের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলো নিউক্যাসল নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানছে সোশ্যাল মিডিয়া প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ পোস্টের অভিযোগে গাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা ক্ষমতা ছাড়ার পরামর্শে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘গুলি করে মেরে ফেলো আমাকে, গণভবনে কবর দিয়ে দাও’ বগুড়ায় ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ থামাতে গিয়ে শিক্ষার্থী নিহত অবশেষে সৈকতের পদত্যাগপত্র কার্যকর করলো বিসিবি

অর্থ পাচার সন্দেহে ২০২১ সালে বন্ধ করা হয় ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

অর্থ পাচারের সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শতাধিক ব্যাংক হিসাব ২০২১ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে
  • আপলোড সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:২৯ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:২৯ সময়
অর্থ পাচার সন্দেহে ২০২১ সালে বন্ধ করা হয় ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

অর্থ পাচারের সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শতাধিক ব্যাংক হিসাব ২০২১ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জমা দেওয়া নথিতে দাবি করেছে দেশটির একটি শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা ওই নথিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে দাখিল করা আবেদনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও অর্থপাচারবিরোধী পর্যবেক্ষণ দলের তদন্তে আর্থিক লেনদেনে অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করেই সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলো বন্ধ করা হয়। এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত ছিল না বলেও তারা দাবি করেছে।


অন্যদিকে, রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষের অভিযোগ, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দেশটির আইনসভা ভবনে সহিংস ঘটনার পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে তার ব্যাংক হিসাবগুলো বন্ধ করা হয়েছিল। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর তার একটি আর্থিক হোল্ডিং প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করে। আদালতের নথিতে আরও বলা হয়েছে, ওই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের এক দশকেরও বেশি সময়ের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। গলফ ক্লাব, আঙুরের বাগানভিত্তিক ব্যবসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে তিন শতাধিক হিসাব পরিচালিত হতো। হিসাব বন্ধের আগে অন্য ব্যাংকে লেনদেন স্থানান্তরের জন্য কয়েক মাস সময়ও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


একই ধরনের অভিযোগে দেশটির আরেকটি বৃহৎ ব্যাংকের বিরুদ্ধেও কয়েক বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো গ্রাহকের ব্যাংকিং সুবিধা বন্ধ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রাষ্ট্রপ্রধানের আইনজীবীরা পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতে বৈষম্যমূলক আচরণ রোধে ২০২৫ সালে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন রাষ্ট্রপ্রধান।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
স্বেচ্ছায় ৭ বার রক্তদান করেছেন জাইমা রহমান: ডা. জুবাইদা

স্বেচ্ছায় ৭ বার রক্তদান করেছেন জাইমা রহমান: ডা. জুবাইদা