ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা-পয়সা নিয়ে দ্বন্দ্ব, গোয়ালন্দে ছুরিকাঘাতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু নাটোরে বিশ্বমানের পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে: পর্যটনমন্ত্রী ফাঁকা সড়কে দুই বাসই দ্রুতগতিতে চলছিল, চালকদের চোখে ছিল ঘুম: পুলিশ নাটোরে পর্যটনমন্ত্রীর পথসভা থেকে পিস্তলসহ যুবক আটক মিরপুরে প্রাইভেট কার থেকে বিএনপি নেতাকে গুলি, আহত নারীসহ ২ এক দল জুলাইয়ের কৃতিত্ব নিয়েই বেশি ব্যস্ত: তথ্যমন্ত্রী ২০ টাকার টিকিটে ৩০ লাখ টাকা পাচ্ছেন কৃষক হানিফ মিয়া হাসপাতালে মিঠুন চক্রবর্তী, দেখতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় সংকট মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারকের: আইনমন্ত্রী গ্রিস উপকূল থেকে দুই শতাধিক অভিবাসী উদ্ধার, অধিকাংশই বাংলাদেশি

অর্থ পাচার সন্দেহে ২০২১ সালে বন্ধ করা হয় ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

অর্থ পাচারের সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শতাধিক ব্যাংক হিসাব ২০২১ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে
  • আপলোড সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:২৯ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:২৯ সময়
অর্থ পাচার সন্দেহে ২০২১ সালে বন্ধ করা হয় ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

অর্থ পাচারের সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শতাধিক ব্যাংক হিসাব ২০২১ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জমা দেওয়া নথিতে দাবি করেছে দেশটির একটি শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা ওই নথিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে দাখিল করা আবেদনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও অর্থপাচারবিরোধী পর্যবেক্ষণ দলের তদন্তে আর্থিক লেনদেনে অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করেই সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলো বন্ধ করা হয়। এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত ছিল না বলেও তারা দাবি করেছে।


অন্যদিকে, রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষের অভিযোগ, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দেশটির আইনসভা ভবনে সহিংস ঘটনার পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে তার ব্যাংক হিসাবগুলো বন্ধ করা হয়েছিল। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর তার একটি আর্থিক হোল্ডিং প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করে। আদালতের নথিতে আরও বলা হয়েছে, ওই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের এক দশকেরও বেশি সময়ের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। গলফ ক্লাব, আঙুরের বাগানভিত্তিক ব্যবসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে তিন শতাধিক হিসাব পরিচালিত হতো। হিসাব বন্ধের আগে অন্য ব্যাংকে লেনদেন স্থানান্তরের জন্য কয়েক মাস সময়ও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


একই ধরনের অভিযোগে দেশটির আরেকটি বৃহৎ ব্যাংকের বিরুদ্ধেও কয়েক বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো গ্রাহকের ব্যাংকিং সুবিধা বন্ধ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রাষ্ট্রপ্রধানের আইনজীবীরা পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতে বৈষম্যমূলক আচরণ রোধে ২০২৫ সালে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন রাষ্ট্রপ্রধান।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান

শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান