ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে? বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার পাশে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘ইলেকশন করে গদি মোটা হয়ে গেছে, জনগণকে আর গোনার টাইম নাই’ আল আকসা মসজিদে ঢুকে পড়েছে শত শত ইসরায়েলি ব্রাজিলিয়ানকে দলে নিয়ে তদন্তের মুখে মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি ইরানে শক্তিশালী বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য যেন রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে আড়াল না হয়ে যায়’ এক এআই মডেলের হ্যাকিংয়ের শিকার অন্য মডেল

এআই-নির্ভর সম্পদ কেন্দ্রীকরণ নাকি নতুন মানবিক সভ্যতা, বিশ্বকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: প্রফেসর ইউনূস

বিশ্ব এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমান সভ্যতার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক নতুন এক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার এখনই
  • আপলোড সময় : ২২ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩:১৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২২ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩:১৪ সময়
এআই-নির্ভর সম্পদ কেন্দ্রীকরণ নাকি নতুন মানবিক সভ্যতা, বিশ্বকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: প্রফেসর ইউনূস

বিশ্ব এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমান সভ্যতার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক নতুন এক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার এখনই উপযুক্ত সময় বলে মন্তব্য করেছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সব সমস্যার সমাধান নয়; বরং সঠিক নীতিমালা না থাকলে এটি বৈষম্য ও সম্পদের কেন্দ্রীকরণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।


ইউনূস সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ইতালির কাস্তেল গানদোলফোতে অনুষ্ঠিত ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পারমাণবিক যুদ্ধ’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক নোবেল বিজয়ী সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বর্তমান সভ্যতার কাঠামো পরিবেশ ধ্বংস এবং সম্পদের অসম বণ্টনের মতো বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। তাই ভবিষ্যতের পৃথিবী কেমন হবে, সেই সিদ্ধান্ত এখনই নিতে হবে। তার মতে, শুধুমাত্র প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন নয়, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে নতুন সভ্যতা নির্মাণই হতে পারে টেকসই সমাধান।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন এআই বিশ্বের সব সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু বাস্তবে এটি যদি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সম্পদ আরও অল্পসংখ্যক মানুষের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, মূল সংকট প্রযুক্তি নয়, বরং এমন শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যা মানুষকে শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে গড়ে তোলে। তার মতে, প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবেই সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার অধিকারী। সেই সম্ভাবনাকে বিকশিত করার পরিবেশ তৈরি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


তরুণ প্রজন্মের ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বর্তমান সময়ের তরুণরাই ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম। প্রযুক্তির সহজলভ্যতা এবং প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্ন করার সাহস তাদের নতুন পৃথিবী গড়ার সুযোগ এনে দিয়েছে। তাই ভবিষ্যৎ কেমন হবে, সে সিদ্ধান্তে তরুণদের মতামতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নোবেল বিজয়ী, সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, ধর্মীয় নেতা, বিজ্ঞানী এবং তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সমাপনী পর্বে গৃহীত যৌথ ঘোষণাপত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পারমাণবিক প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত বিকাশ মানবজাতির জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জটিলতায় পড়তে পারেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা?

জটিলতায় পড়তে পারেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা?