বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার সবসময় রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং নতুন করে ঘর নির্মাণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। রাঙামাটার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, যাদের ঘরবাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, পাহাড়ি এলাকায় বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধস দীর্ঘদিনের একটি বাস্তবতা। জলবায়ু পরিবর্তন, অতিবৃষ্টি এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রতিবছরই এ ধরনের দুর্যোগ দেখা দেয়। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে কোথায় কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করে দ্রুত ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মানুষের জানমাল রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, তাৎক্ষণিক খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ও স্থায়ী পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হচ্ছে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি রাঙামাটির আশ্রয়কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। আজ তাঁর বান্দরবানের দুর্গত এলাকাগুলো পরিদর্শনের কথা রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন