ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের অধিকার বাস্তবায়নে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাল শামা ওবায়েদ সব ক্ষেত্রেই মানুষের সক্ষমতাকে টপকে যাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, দাবি ইলন মাস্কের বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি ৭ মাসে জ্বালানির মূল্য তিনবার বাড়িয়ে সরকার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির আবেদনের সময় বাড়ল গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী চড়া দামেও এলএনজি মজুত করছে ইউরোপ, সরবরাহ সংকটে এশিয়া আগামী জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হতে পারে: ইসি আনোয়ারুল ইসলাম আওয়ামী লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন জ্বালানিসংকট ও সরকারের দায়

বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না ফেলতে পারছি, না গিলতে পারছি: অর্থমন্ত্রী

বিগত সরকারের নেওয়া প্রায় ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে
  • আপলোড সময় : ২৫ জুন ২০২৬, দুপুর ৩:১৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ জুন ২০২৬, দুপুর ৩:১৪ সময়
বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না ফেলতে পারছি, না গিলতে পারছি: অর্থমন্ত্রী

বিগত সরকারের নেওয়া প্রায় ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার ভাষায়, এসব প্রকল্পের অনেকগুলোই এমন অবস্থায় রয়েছে, যেগুলো পুরোপুরি বাতিল করাও সম্ভব নয়, আবার নির্বিঘ্নে এগিয়ে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আগের সরকারের সময় নেওয়া বিপুলসংখ্যক উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। এর মধ্যে অনেক প্রকল্পের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাওয়ায় সেগুলো বাতিল করার সুযোগ সীমিত।


অর্থমন্ত্রী জানান, কিছু প্রকল্প পর্যালোচনার মাধ্যমে বাদ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ায় সেগুলো থেকে পুরোপুরি সরে আসা যাচ্ছে না। ফলে এগুলো সরকারের জন্য বাড়তি দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকারকে বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং অর্থায়ন-সংক্রান্ত চাপ অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলেছে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও অর্থনীতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতিগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে।


অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু বড় অবকাঠামো নয়, গ্রামীণ অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মৃৎশিল্প, শীতলপাটি ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের সঙ্গে জড়িত কারিগরদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে তাদের আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তার মতে, গ্রামীণ উদ্যোক্তা ও কারিগরদের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং বাজারসুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তাদের জীবনমান উন্নত হবে। একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা, কিশোর আটক

বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা, কিশোর আটক