নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেল সেতুর একটি পিলারের নিচ থেকে মাটি কাটার অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, পিলারের গোড়ার মাটি কেটে নেওয়ায় সেতুটি ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। খবরটি প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক ইত্তেফাক-এ। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল অনুমতির কাগজ দেখিয়ে পিলারের নিচের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে। এতে অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি রেলওয়ের হলেও এর বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে সেনাবাহিনী। তিনি আরও বলেন, যারা মাটি কাটছে তারা দাবি করেছে যে নির্মাণকারী সংস্থা থেকে তারা কাজের অনুমোদন পেয়েছে। তবে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় আপাতত কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, মাটি কাটার জন্য অনুমতি থাকার কথা বলা হলেও বিষয়টি যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সংস্থাটির ঢাকা বিভাগের ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, রেলওয়ে কখনোই এ ধরনের মাটি কাটার অনুমতি প্রদান করে না। তার মতে, এ কাজের সঙ্গে রেলওয়ের কোনো অনুমোদন নেই। অন্যদিকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের উপপরিচালক আমিনুল করিম জানান, আলীগঞ্জ এলাকায় পিলার নম্বর ৭৬ থেকে ৯০ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার অংশ আগে জলাশয় ছিল। পরে একটি চীনা নির্মাণ সংস্থা মাটি ও বালু দিয়ে ওই স্থান ভরাট করে ভায়াডাক্ট নির্মাণ সম্পন্ন করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে ওই এলাকায় আবার জলাশয় খননের কাজ চলছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে একই ঘটনার ব্যাখ্যায় বিভিন্ন দপ্তরের ভিন্ন অবস্থান ও অনুমতির বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন