ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠালেই আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে: শামা ওবায়েদ ‘আসতে হবে না, আপনাকে আমরা ধরে নিয়ে আসতে চাই’ অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়েও বর্তমান সরকার দেশকে খারাপ দিকে নিয়ে যাচ্ছে জোর করে স্লোগান দেওয়ানোর চেষ্টা, বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বাঁচা-মরার ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত নোরা ফাতেহির বিরুদ্ধে ৩ কোটির মানহানির মামলা ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলার নিন্দা জানালেন ছাত্রদল সভাপতি জুলাই আন্দোলনে স্বামীর মৃত্যুর সাক্ষ্য দেওয়ায় মেয়েকে ধর্ষণ কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা চক্রান্তকারীরা বারবার ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙার চেষ্টা করেছে: রিজভী

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে সই বাকি, ডেথ রেফারেন্স যাচ্ছে হাইকোর্টে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে এখনো বিচারকের স্বাক্ষর
  • আপলোড সময় : ৯ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪৯ সময়
  • আপডেট সময় : ৯ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪৯ সময়
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে সই বাকি, ডেথ রেফারেন্স যাচ্ছে হাইকোর্টে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে এখনো বিচারকের স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়নি। স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট সূত্র মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।


রায় ঘোষণার পর সোমবার তাদের কনডেম সেলে পাঠানো হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন না করায় তা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারের ইঙ্গিত বহন করে বলে আদালত মন্তব্য করে। একই সঙ্গে স্বামীকে পালাতে সহায়তা করায় স্বপ্না আক্তারকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়।


মামলার কার্যক্রম অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়। গত ১ জুন অভিযোগ গঠনের পর বিচার শুরু হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ, যেখানে ওই দিনই ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নেওয়া শেষ হয়। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি এবং ৪ জুন যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। মাত্র চার কার্যদিবসে মামলার বিচার সম্পন্ন হয়। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রোববার আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ রয়েছে, পরে তাকে কৌশলে স্বপ্না আক্তার তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান।


পরবর্তীতে শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে তার মা খোঁজ শুরু করেন এবং একপর্যায়ে অভিযুক্তের ফ্ল্যাটের সামনে মেয়েটির জুতা দেখতে পান। দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে শয়নকক্ষে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একটি বালতি থেকে তার মাথা উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ কল গেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২০ মে পল্লবী থানায় শিশুটির বাবা মামলা দায়ের করেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের

এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের