ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে? বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার পাশে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘ইলেকশন করে গদি মোটা হয়ে গেছে, জনগণকে আর গোনার টাইম নাই’ আল আকসা মসজিদে ঢুকে পড়েছে শত শত ইসরায়েলি ব্রাজিলিয়ানকে দলে নিয়ে তদন্তের মুখে মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি ইরানে শক্তিশালী বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য যেন রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে আড়াল না হয়ে যায়’ এক এআই মডেলের হ্যাকিংয়ের শিকার অন্য মডেল

করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়বে

দেশের কর ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। প্রতি বছরের বাজেট ঘিরে করহার ও করমুক্ত আয়সীমা নিয়ে
  • আপলোড সময় : ৮ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:২ সময়
  • আপডেট সময় : ৮ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:২ সময়
করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়বে

দেশের কর ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। প্রতি বছরের বাজেট ঘিরে করহার ও করমুক্ত আয়সীমা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, তা কমাতে প্রথমবারের মতো ব্যক্তি করদাতাদের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি আয়কর রোড ম্যাপ ঘোষণা করা হতে পারে। আগামী ১১ জুন জাতীয় বাজেটের মাধ্যমে ২০৩০-৩১ অর্থবছর পর্যন্ত করমুক্ত আয়সীমা, করহার ও কর কাঠামো নিয়ে একটি নীতিগত দিকনির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ আগামী পাঁচ বছরে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়তে পারে প্রায় ১ লাখ টাকা। নীতিনির্ধারকদের মতে, এই রোড ম্যাপের মূল উদ্দেশ্য হলো কর ব্যবস্থাকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য, স্বচ্ছ এবং বিনিয়োগবান্ধব করা। এতে চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীরা আগেই বুঝতে পারবেন ভবিষ্যতে কর কাঠামো কোন দিকে যেতে পারে।


বর্তমানে করনীতি মূলত বার্ষিক বাজেটের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রতি বছরই করমুক্ত আয়সীমা ও করহার নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে। নতুন পরিকল্পনায় সেই অনিশ্চয়তা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা হতে পারে।


তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, বর্তমান মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় করমুক্ত আয়সীমা আরও দ্রুত বাড়ানো প্রয়োজন। তাদের মতে, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর কাঠামো পুনর্বিবেচনা জরুরি। অন্যদিকে করনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উদ্যোগের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো নীতির ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা। করদাতারা আগাম পরিকল্পনা করতে পারলে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ আরও কার্যকর হবে।


তবে তারা সতর্ক করেছেন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ালেও করের বিভিন্ন স্তর বা ব্র্যাকেট সময়োপযোগীভাবে সমন্বয় না হলে মধ্যবিত্তদের ওপর চাপ থেকে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রস্তাবিত এই আয়কর রোড ম্যাপ বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের কর ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে এর ধারাবাহিক বাস্তবায়ন ও বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার ওপর।


অন্যদিকে আয়কর আইনে সম্পদের ওপর সারচার্জ ব্যবস্থা বহাল থাকছে। নির্ধারিত সীমার বেশি সম্পদের ওপর বিভিন্ন হারে সারচার্জ প্রযোজ্য থাকবে। একইসঙ্গে সম্পদ কর চালুর প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে।এছাড়া উেস কর ব্যবস্থায়ও বড় পরিবর্তন আসছে। এখন থেকে অনেক ক্ষেত্রে উেস করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য না করে প্রকৃত করের সঙ্গে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জটিলতায় পড়তে পারেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা?

জটিলতায় পড়তে পারেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা?