ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে কড়া বার্তা ইরানের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফের ‘হজে ঝগড়া-বিবাদ নয়, ইবাদতেই মন দিন’- মসজিদে নববীর ইমামের হৃদয়ছোঁয়া আহ্বান শ্রীমঙ্গলে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু মীর শাহে আলমের বক্তব্যকে আসিফ মাহমুদের চ্যালেঞ্জ ডিজিটাল পেমেন্ট বাড়াতে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করলো বাংলাদেশ ব্যাংক পে স্কেলে শিক্ষকদের বেতন নিয়ে বড় সুখবর রাজধানীর ২৯ হাটে বিনামূল্যে ভেটেরিনারি সেবা দিচ্ছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর পশ্চিমবঙ্গে কোরবানি ঈদের ছুটি কমিয়ে ১ দিন করল শুভেন্দুর সরকার বিএনপি ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতিতে ব্যস্ত: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডার’ গড়বে ভারত

পাকিস্তানে আত্মপ্রকাশ করল ‘ককরোচ আওয়ামী লীগ’

ভারতে শুরু হওয়া ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) এবার সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানেও ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
  • আপলোড সময় : ২৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫৭ সময়
পাকিস্তানে আত্মপ্রকাশ করল ‘ককরোচ আওয়ামী লীগ’

ভারতে শুরু হওয়া ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) এবার সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানেও ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানি ব্যবহারকারীরা এই আন্দোলনকে অনুসরণ করে নতুন নতুন ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক পেজ ও অ্যাকাউন্ট তৈরি করছেন। পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতোমধ্যে ‘ককরোচ আওয়ামী পার্টি’, ‘ককরোচ আওয়ামী লীগ’ এবং ‘মুত্তাহিদা ককরোচ মুভমেন্ট’ নামের একাধিক পেজ দেখা গেছে। এসব পেজ নিজেদের রাজনৈতিক ফ্রন্ট হিসেবে উপস্থাপন করলেও এগুলো মূলত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্টভিত্তিক আন্দোলন।


একটি অ্যাকাউন্টের বায়োতে লেখা রয়েছে, “যুবদের দ্বারা, যুবদের জন্য পাকিস্তানের একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট।” আরেকটি পেজ নিজেদের পরিচয়ে বলছে, “যাদের সিস্টেম ককরোচ ভেবেছে, আমরা সেই জনগণের কণ্ঠস্বর।” ভারতে গত ১৬ মে শুরু হওয়া এই অনলাইন ট্রেন্ড দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় এবং স্বল্প সময়েই কোটি কোটি অনুসারী অর্জন করে। আন্দোলনটির অনুপ্রেরণা হিসেবে তেলাপোকার মতো বেঁচে থাকার ক্ষমতা ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকার বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরা হচ্ছে।


ভারতের মূল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপক, যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। আগে তিনি রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলবিদ হিসেবেও কাজ করেছেন। তবে পাকিস্তানে এই আন্দোলন কোনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ছাড়াই ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিজেদের মতো করে এই ব্যঙ্গাত্মক ট্রেন্ডকে ব্যবহার করছেন।


বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল নয়, বরং অনলাইন ব্যঙ্গ ও প্রতিবাদের একটি ডিজিটাল সংস্কৃতি, যা দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।


সূত্র: এনডিটিভি

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
লীগ সেদিনই ব্যাক করেছে, যেদিন মবস্টারদের এদেশে হিরো বানানো হয়েছিল

লীগ সেদিনই ব্যাক করেছে, যেদিন মবস্টারদের এদেশে হিরো বানানো হয়েছিল