ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে নকল ওষুধ বিক্রির দায়ে ভিসা নিষেধাজ্ঞায় ১৩ ভারতীয় যুদ্ধ শেষ করতে আমাদের চীনের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ১৭ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ আমি আদালতে আসবো, হাজিরা দেবো, অভ্যাস হয়ে গেছে: লতিফ সিদ্দিকী আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বার শপথ নিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ধানের মণ ৮০০ টাকা, শ্রমিকের মজুরি ১২০০ শাপলা গণহত্যার পর জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে জুলাই হতো না: নাহিদ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাত, আটক ২ ফেন্টানাইল পাচারের অভিযোগে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানসহ ১৩ জনের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন মা-ছেলে

দিরাইয়ে দ্বিমুখী সংকটে বোরো চাষিরা

অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো চাষিরা চরম সংকটে পড়েছেন। একদিকে খলায় রাখা কাটা
  • আপলোড সময় : ৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৫ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৫ সময়
দিরাইয়ে দ্বিমুখী সংকটে বোরো চাষিরা

অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো চাষিরা চরম সংকটে পড়েছেন। একদিকে খলায় রাখা কাটা ধান শুকাতে না পেরে পচে যাচ্ছে, অন্যদিকে মাঠে থাকা পাকা ধান পানিতে তলিয়ে নষ্ট হচ্ছে—এতে দ্বিমুখী চাপে দিশেহারা কৃষকেরা। স্থানীয় কৃষকরা জানান, টানা প্রায় ১০ দিনের বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধান শুকানোর সুযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে আগে কেটে আনা ধান মাড়াই ও ঝাড়াই করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক জায়গায় ধানের মধ্যে শেকড় গজিয়ে পচন শুরু হয়েছে, কোথাও আবার তাপ সৃষ্টি হয়ে ধোঁয়াও বের হচ্ছে। এতে ধানের গুণগত মান নষ্ট হয়ে তা মানবখাদ্যের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।


গতকাল মঙ্গলবার কিছু সময় রোদ ওঠায় কৃষকেরা ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও হঠাৎ বৃষ্টিতে আবারও বিপাকে পড়েন তারা। বরাম হাওরের কৃষক আলী আহমদ বলেন, “রোদ উঠলেই কাজ শুরু করি, কিন্তু বৃষ্টি নামলে সব ভিজে যায়। ধান বাঁচানো কঠিন হয়ে গেছে।” টাংনীর হাওরের কৃষক আব্দুল করিম জানান, “মাঠের ধান কাটব নাকি খলার ধান বাঁচাব বুঝতে পারছি না, শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না।” কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, “কষ্ট করে কেটে আনা ধানই এখন পচে যাচ্ছে। হাঁসের খামারিদের কাছে বিক্রি করলেও দাম খুব কম।”


কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে দিরাই উপজেলার ৩৯টি হাওরে প্রায় ৩০ হাজার ১৭৮ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদন ধরা হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৭ মেট্রিক টন ধান। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি এবং এপ্রিলের শেষ দিকের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে যায়।


স্থানীয় কৃষকদের মতে, ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কিছু ধান কেটে আনা গেলেও শ্রমিক সংকট ও আবহাওয়ার কারণে তা-ও নষ্ট হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, দ্রুত আবহাওয়া অনুকূলে না এলে চলতি মৌসুমে দিরাইসহ হাওরাঞ্চলে বড় ধরনের ফসল ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আকাশে দেখা গেল ‘রহস্যময়’ আলো

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আকাশে দেখা গেল ‘রহস্যময়’ আলো