ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
নিজের ‘মুক্তিযোদ্ধা সনদ’ ছিঁড়ে ফেলেছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়- কারণ কী ফ্লোরিডায় নিহত শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ দেশে ফিরছে বৃহস্পতিবার ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না: আখতার দক্ষিণ কোরিয়ায় মদ্যপ চালকের গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী বাবার মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে লরির চাপায় সন্তানের মৃত্যু দুদিনে ৯৪ চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার, তদবিরে ছাড়া হবে না কাউকে: ডিএমপি কমিশনার শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি দোকান মালিক সমিতির হত্যাচেষ্টা মামলায় শেখ হাসিনা-ওবায়দুল কাদেরসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

বোরখা পরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন দেয় পরিচ্ছন্নতা কর্মী: পুলিশ

রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোররুমে লাগা আগুনটি দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত নাশকতা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ
  • আপলোড সময় : ৩ মে ২০২৬, দুপুর ১০:২০ সময়
  • আপডেট সময় : ৩ মে ২০২৬, দুপুর ১০:২০ সময়
বোরখা পরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন দেয় পরিচ্ছন্নতা কর্মী: পুলিশ

রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোররুমে লাগা আগুনটি দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত নাশকতা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পাঁচ লাখ টাকার চুক্তিতে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২ মে) রাতে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার এ তথ্য জানান।


তিনি বলেন, শুক্রবার (১ মে) ভোরে অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলায় থাকা স্টোররুমে আগুন লাগে। তদন্তে জানা গেছে, ঘটনাটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে ঘটানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, ওই স্টোররুমে মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য ৭৩৫টি ল্যাপটপ রাখা ছিল। এর মধ্যে ১৪০টি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়, ২৯টি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ৩৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৪৫০টি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে ৮৩টি ল্যাপটপের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।


ডিসি মোস্তাক সরকার জানান, সিসিটিভি ফুটেজে সরাসরি লুটপাটের প্রমাণ না মিললেও ল্যাপটপগুলোর অনুপস্থিতি নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ২ থেকে ৩ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আসমাউল ইসলাম নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছেন, যিনি মাস্টাররোলে কর্মরত ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম পাওয়া যায়।


পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আসমাউল ইসলামসহ একটি চক্র ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে স্টোররুমে আগুন লাগানোর পরিকল্পনা করেছিল। ইতোমধ্যে ৮০ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল বলেও জানা গেছে। এ ঘটনায় আরও একজন সন্দেহভাজন হৃদয়কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুরো ঘটনার পেছনে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কামারখন্দে এক বছর ধরে নেই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

কামারখন্দে এক বছর ধরে নেই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা