ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণকে আমলে নিচ্ছি না: চিফ প্রসিকিউটর ইরান যুদ্ধ বন্ধে প্রতিনিধি পরিষদে ভোট, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৭ রিপাবলিকান ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির বিল ২৭০ দিনের বেশি বকেয়া হলে ইডিএফ ঋণ নয় ‘পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফের‌তের বিষ‌য়ে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি’ সুদানে সোনার খনি ধসে নিহত ৬০ মন্দিরের মেহেদি পরলে এক বছরের মধ্যে বিয়ে নিশ্চিত, তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একটি নয়, দুটি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: ভারত এবার টানা ৫ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ সরকারি চাকরিজীবীদের ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত আমারই ছিল: আসিফ নজরুল বাংলাদেশের সার্বভৌম ঋণমান ‘নেগেটিভ’ থেকে উন্নীত করে ‘স্থিতিশীল’ করল মুডি'স

হাওর পাড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

কয়েক দিনের বৃষ্টির পর রোদে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ফের বৃষ্টি শুরু হওয়ায় মৌলভীবাজারের হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে আবারও দুশ্চিন্তা
  • আপলোড সময় : ২ মে ২০২৬, দুপুর ১০:২১ সময়
  • আপডেট সময় : ২ মে ২০২৬, দুপুর ১০:২১ সময়
হাওর পাড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

কয়েক দিনের বৃষ্টির পর রোদে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ফের বৃষ্টি শুরু হওয়ায় মৌলভীবাজারের হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে আবারও দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (১ মে) দুপুরের পর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে হাওর এলাকার পানির স্তর আবারও বেড়ে গেছে। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, জমির পাশে গিয়ে তারা দেখতে পাচ্ছেন ডুবন্ত বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে আছে কিনা। অনেক জায়গায় আগেই কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হতে শুরু করেছে। সূর্যের আলো না পাওয়ায় স্তূপ করে রাখা ধানেও অঙ্কুরোদগম দেখা দিয়েছে।


মৌলভীবাজার জেলার হাকালুকি হাওর, মনু প্রকল্পের কাউয়াদিঘি হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে বোরো ধান পানির নিচে রয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, পানির কারণে ধান পচে নষ্ট হচ্ছে এবং শ্রমিক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, মাত্র কয়েক দিনের অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে হাওরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা চাপের মুখে পড়েছে। পাম্পগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো গেলেও বৃষ্টির পানির প্রবাহ বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না। বৃষ্টি কমলে কয়েক দিনের মধ্যেই পানি কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


অন্যদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলায় ৬২ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে। হাওর অঞ্চলের কৃষকরা এখন প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তবে অনিয়মিত বৃষ্টি ও পানি নিষ্কাশনের সীমাবদ্ধতায় তাদের ফসল হারানোর আশঙ্কা বাড়ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হজের টাকা এজেন্সিকে দিলে সেই টাকার যাকাত দিতে হবে?

হজের টাকা এজেন্সিকে দিলে সেই টাকার যাকাত দিতে হবে?