ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুরের পাশে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রাজধানীতে, পুলিশের লাঠিপেটা পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী গাঢ় নীল পোশাকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান রোলারের চাপায় ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়

বাড়ল যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি

মুদ্রাস্ফীতি সামাল দেওয়া এবং দীর্ঘদিনের আবেদনজট কমাতে এইচ-১বি ভিসা ও কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিনকার্ডের প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন
  • আপলোড সময় : ৪ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৫৫ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৫৫ সময়
বাড়ল যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি

মুদ্রাস্ফীতি সামাল দেওয়া এবং দীর্ঘদিনের আবেদনজট কমাতে এইচ-১বি ভিসা ও কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিনকার্ডের প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ (ইউএসসিআইএস)। নতুন ফি ১ মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছে। এ তারিখের পর জমা দেওয়া আবেদনগুলোই অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রসেসিংয়ের আওতায় আসবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এইচ-১বি ভিসা, এল-১ ভিসা এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিনকার্ড (আই-১৪০) আবেদনের ফি ২৮০৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২৯৬৫ ডলার করা হয়েছে। এছাড়া এইচ-২বি ও আর-১ ক্যাটাগরির কর্মীদের জন্য ফি ১৬৮৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৭৮০ ডলার করা হয়েছে। ও-১, পি, কিউ, ই ও টিএন ক্যাটাগরির ওয়ার্ক ভিসার ক্ষেত্রেও একইভাবে ফি ২৯৬৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।


তবে পারিবারিক কোটায় গ্রিনকার্ড আবেদনের ফি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপিটি ও স্টেম ওপিটি ওয়ার্ক পারমিটের প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি ১৭৮০ ডলারই থাকছে। অন্যদিকে এফ, জে ও এম ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীদের স্ট্যাটাস পরিবর্তনের ফি বাড়িয়ে ২০৭৫ ডলার করা হয়েছে। ইউএসসিআইএস সতর্ক করে জানিয়েছে, ১ মার্চের পর পুরোনো ফি দিয়ে জমা দেওয়া কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না এবং তা ফেরত পাঠানো হবে। এতে আবেদনকারীদের সময় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


অভিবাসন আইন অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পর পর প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি পর্যালোচনা করা হয়। ফলে ভবিষ্যতেও এই ফি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন ফি নিয়োগকর্তা ও অভিবাসী কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ব্যয় বাড়ালেও আবেদনজট কমাতে এটি সহায়ক হতে পারে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ