ঢাকা | |

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মার্কিন দূতাবাস

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের জেরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব,
  • আপলোড সময় : ৪ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৩৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৩৪ সময়
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মার্কিন দূতাবাস

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের জেরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব, লেবানন এবং কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা অঞ্চলে অবস্থানরত আমেরিকান নাগরিকদের দ্রুত এলাকা ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরাহ নামদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানান, গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে নাগরিকদের বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে দ্রুত মিসর, ইরাক, জর্ডান, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয়েছে।


সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা নিহত হন। এরপর থেকেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।এরই মধ্যে দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের পাশের একটি পার্কিং এলাকায় ইরানি ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিউ। তিনি বলেন, মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক স্থাপনাগুলো এখন সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।


সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে দুটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দূতাবাসের একটি অংশে আগুন লাগে এবং কিছু ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। দূতাবাস কর্তৃপক্ষ দেশটিতে অবস্থানরত আমেরিকানদের আপাতত ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে।অন্যদিকে জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, তাদের পক্ষে সরাসরি নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা নেই এবং দেশ ছাড়ার সুযোগও খুব সীমিত।


এদিকে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেট ঘিরে বিক্ষোভ দেখা গেছে। কিছু জায়গায় যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী প্রতিবাদ সহিংস রূপও নিয়েছে।এই সংকটের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলমান সামরিক অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত থাকবে।তবে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের কিছু ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা প্রশাসনের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, নাগরিকদের সতর্ক করার ক্ষেত্রে দেরি হয়েছে এবং পুরো পরিকল্পনায় সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে।


সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে এবং এই সংঘাত এখন পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় এক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে ‘মার্কিন ছাড়ের’ খবর ভিত্তিহীন: জ্বালানি বিভাগ

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে ‘মার্কিন ছাড়ের’ খবর ভিত্তিহীন: জ্বালানি বিভাগ