ফিফার সভাপতি হিসেবে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ১০ বছরের পূর্তি উপলক্ষে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বার্তায় তার নেতৃৃত্বকে প্রশংসা করেছেন। তিনি ইনফান্তিনোকে দারুণ নেতা বলে উল্লেখ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী ১০, ২০ বা ৩০ বছরেও তিনি ফিফার নেতৃত্বে থাকবেন। ২০১৬ সালে দায়িত্ব গ্রহণের সময় ফিফা ছিল বড় সংকটে। সেপ ব্লাটারের শাসনামলের দুর্নীতি কেলেঙ্কারির পর ইনফান্তিনো সংস্থার ভাবমূর্তি পুনর্গঠন করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে নেতৃত্বে আসেন। তার আমলে ফিফার আর্থিক স্থিতিশীলতা ও প্রশাসনিক পুনর্গঠনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হলেও, এর পেছনে রাজনৈতিক ও নৈতিক প্রশ্ন রয়ে গেছে বলে সমালোচনা রয়েছে।
ইনফান্তিনোর শাসনামলে ফিফাকে ঘিরে কিছু বিতর্কও উঠেছে, যেমন ২০২২ বিশ্বকাপের স্টেডিয়াম নির্মাণে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা, গাজার যুদ্ধ নিয়ে নিষেধাজ্ঞার দাবি, রাশিয়া ও বেলারুশের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন এবং ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজক দেশগুলোর রাজনৈতিক বাস্তবতা। তবে তার নেতৃত্বে নারীদের ফুটবলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, পুরস্কারের অর্থ বাড়ানো এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনও হয়েছে, যেমন ভিএআর ও সেমি-অটোমেটেড অফসাইড।
২০১৯ ও ২০২৩ সালে পুনর্নির্বাচিত হওয়া ইনফান্তিনো ফিফার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২০৩১ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে থাকার সুযোগ পেয়েছেন।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন