আইএমএফ (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) এর উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল আগামী ৯-১০ মার্চ ঢাকায় আসবে ঋণের পরবর্তী কিস্তি নিয়ে আলোচনার জন্য। প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেবেন আইএমএফের এশিয়া-প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন। এই সফরের সময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ সময় বাংলাদেশের চলমান ঋণ কর্মসূচি সচল রাখার পাশাপাশি, বিলম্বিত ১৩০ কোটি ডলার ছাড়ের আশাও করছে বাংলাদেশ। আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হলে, আগামী জুনের মধ্যে পরবর্তী কিস্তির অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কিস্তির সঙ্গে ডিসেম্বরের বকেয়া কিস্তিও ছাড় হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, কিছু সিদ্ধান্তের বিষয় এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পুনর্গঠন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অধিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু করা। এছাড়া, আইএমএফের শর্তে ভর্তুকি কমানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণও রয়েছে।
বাংলাদেশ গত বছরের জানুয়ারিতে আইএমএফের সঙ্গে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি করে। ঋণের শর্তের মধ্যে ছিল রাজস্ব খাত সংস্কার, ব্যাংক খাত পুনর্গঠন, এবং ভর্তুকি কমানো। গত বছর জুনে আইএমএফ কর্মসূচির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয় এবং অতিরিক্ত ৮০ কোটি ডলার যুক্ত করা হয়, যার ফলে মোট ঋণ প্যাকেজ ৫.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ৫টি কিস্তিতে মোট ৩.৬৪ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে, এবং বাকি ১.৮৬ বিলিয়ন ডলার ছাড় পাওয়ার অপেক্ষা রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন