ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
আংশিক মেঘলা ঢাকার আকাশ, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা আজ, আলোচনায় কোয়ান্টাম ও মহাকাশবিজ্ঞান বাউফলে গভীর রাতে মিনিটের ব্যবধানে ৪ বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক গৃহযুদ্ধের ঝুঁকিতে ইসরায়েল: সিআইএ এআই সঙ্গীর আসক্তি রুখতে চীনে কঠোর বিধিনিষেধ: বন্ধ হলো ‘ভার্চ্যুয়াল পার্টনার’ ফিচার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৮৮২ প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের পরিকল্পনায় প্রধান চ্যালেঞ্জ ভারতে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড কঙ্গোতে দুই নৌকার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩০ লটারির মাধ্যমে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শুরু আজ ‘নিরাপত্তা হুমকির’ ঝুঁকিতে যুক্তরাজ্য থেকে বিমান ঘাঁটি সরানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

জীবনবাজি রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে বিশেষ পরিস্থিতিতে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে
  • আপলোড সময় : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ৯:৩০ সময়
  • আপডেট সময় : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ৯:৩০ সময়
জীবনবাজি রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে বিশেষ পরিস্থিতিতে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সরকার পতনের দিন পরিস্থিতি দ্রুত ও নাটকীয়ভাবে বদলে যাচ্ছিল। আন্দোলন জনবিস্ফোরণে রূপ নেওয়ার পর তাঁকে জানানো হয় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে আসতে পারেন। হেলিকপ্টার প্রস্তুত থাকার খবর পাওয়ার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। তবে দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে জানা যায়, তিনি আর বঙ্গভবনে আসছেন না এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর দেশত্যাগের খবর আসে।


বিকেল তিনটার দিকে সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান ফোনে সার্বিক পরিস্থিতি জানান এবং পরে সংবাদমাধ্যমে ব্রিফিং দেন। এরপর সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা বঙ্গভবনে এসে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের ডাকা হবে। সেনাসদরে বিভিন্ন দলের নেতা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়।


রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেই বৈঠকে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার—এই তিনটি প্রস্তাব উঠে আসে। নানা বিবেচনায় রাজনৈতিক নেতারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। এরপর রাষ্ট্রপতিকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে হয় এবং সরকার গঠনের প্রক্রিয়া রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সেনাবাহিনীর আলোচনার ওপর ন্যস্ত করা হয়।


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের বিষয়টি সংবিধানে না থাকায় বড় ধরনের সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়। রাষ্ট্রপতি জানান, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ ও ৭-ক অনুযায়ী কাঠামোগত পরিবর্তন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অবস্থায় তিনি ৮ আগস্ট তৎকালীন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করেন এবং সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ অনুযায়ী আপিল বিভাগের মতামত চান। এর আগে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে তিনি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামানকে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন। পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির পর আপিল বিভাগের মতামত রাষ্ট্রপতির জন্য আইনি ভিত্তি তৈরি করে।


রাষ্ট্রপতির ভাষায়, ওই মতামত তাঁর জন্য রক্ষাকবচ হয়ে ওঠে এবং এরপর রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় সশস্ত্র বাহিনীর সমর্থন ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা