ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে আকাশে ভাসবে টেসলার নতুন রোডস্টার, আনলেন ইলন মাস্ক 'ইন্ডিয়া' জোটের রাজপথের আন্দোলনে থালাপতি বিজয়ের দল শারদীয় দুর্গাপূজায় দেশ-বিদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের প্রাণহানি, নতুন রোগী ভর্তি ১১৮১ জন রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম চড়া, স্বস্তি নেই মাছ ও মুরগিতেও দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যেই বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হবে: অর্থমন্ত্রী পূজায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলেই কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী পুতুল সিরাজগঞ্জে ট্রাকের গতিরোধ করে গ্যাস সিলিন্ডার লুট মদিনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট ব্যাহত

শাহজাহানপুর থানায় ৮৪৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৮৪৯ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় মামলা করেছে পুলিশ।আজ শাহজাহানপুর থানার এসআই
  • আপলোড সময় : ২৯ অক্টোবর ২০২৩, দুপুর ১:৬ সময়
  • আপডেট সময় : ২৯ অক্টোবর ২০২৩, দুপুর ১:৬ সময়
শাহজাহানপুর থানায় ৮৪৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৮৪৯ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় মামলা করেছে পুলিশ।
আজ শাহজাহানপুর থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশ।
মামলায় মির্জা আব্বাসসহ ৪৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ শেষে মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে শাহজাহানপুর থানার কমলাপুর রেলওয়ে অফিসার্স কোয়ার্টারের সামনে বেআইনি জনতাবদ্ধে মারাত্মক দেশীয় অস্ত্র সদ্যে সজ্জিত হয়ে স্লোগান দেয়।
এ সময় তারা জনমনে আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি করে বিভিন্ন প্রকার নাশকতামূলক ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা এবং হত্যার উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশের সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে। এ সময় তারা অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, সরকার পতনের এক দফা দাবিতে শনিবার (২৮ অক্টোবর) মহাসমাবেশ ছিল বিএনপির। কিন্তু সমাবেশ শুরুর আগেই দুপুরে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি বিস্তৃত হয়ে বিএনপির সমাবেশের কাছে চলে আসে এবং একপর্যায়ে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয় এবং পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। বিএনপির মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। পরে নয়াপল্টনের মঞ্চ থেকে হ্যান্ডমাইকে হরতালের ঘোষণা দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভয়াবহ এই সংঘর্ষে একজন পুলিশ সদস্য ও এক রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ৪১ জন পুলিশ সদস্য ও ২৮ জন সাংবাদিকসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন। পুলিশের হিসাবে, ৫৫টি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি পুলিশ বক্স পোড়ানোর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতির বাসভবনেও হামলা চালানো হয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা