ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
হ্যাঁ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বাধা নেই : আলী রীয়াজ আর্টেমিস-২ মিশন: ৫০ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠাতে প্রস্তুত নাসা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট হচ্ছে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা তরুণদের ওপর ডিগ্রি অর্জনের চেয়ে সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব বেশি: মৎস্য উপদেষ্টা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে গণকবর, উদ্ধার ২১ মরদেহ সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে থাকবে বিএনপি: তারেক রহমান নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স টিমের কার্যক্রম চালু প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ ভোটে প্রচারণা চালাতে আইনি বাধা নেই: আলী রীয়াজ নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

জাতীয় পার্টিকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে রিট

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) এবং জাতীয় পার্টির (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জেপির
  • আপলোড সময় : ৭ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ২:৪৭ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ২:৪৭ সময়
জাতীয় পার্টিকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে রিট ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) এবং জাতীয় পার্টির (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) প্রার্থীদের অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ভোলার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ গত রবিবার (৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন দায়ের করেন।


রিটকারীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির জানান, রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। রিট আবেদন দায়েরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বধীন ১৪ দলীয় জোট মহাজোট হিসেবে পরিচিত। এই মহাজোট জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই জোটে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ/ইনু), জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), তরিকত ফেডারেশনসহ ১৪টি দল ছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুসারে তারাও অপরাধ করেছেন। যে কারণে সংবিধানের ৬৬(২)(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তারা নির্বাচনের অযোগ্য হবে।


গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। এই প্রজ্ঞাপনের প্রসঙ্গ রিটে উল্লেখ করা হয়েছে। আইনজীবী শাহরিয়ার কবির আরো জানান, ওই প্রজ্ঞাপন দিয়ে সরকার আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। অঙ্গসংগঠন মানে আওয়ামী লীগের সব অঙ্গসংগঠন। সহযোগী সংগঠন মানে ১৪ দল। ভ্রাতৃপ্রতিম মানে হচ্ছে জাতীয় পার্টি। সেজন্য ভ্রাতৃপ্রতিম জাতীয় পার্টি সব সময় আওয়ামী লীগের নীতি–আদর্শকে সমর্থন দিয়েছে। ভ্রাতৃপ্রতিম এই দলের প্রার্থী কীভাবে নির্বাচন কমিশন বৈধতা দেয়?


এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টির জি এম কাদেরের অংশ। গত ২৬ ডিসেম্বর গুলশানের লেকশোর হোটেলে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। অপরদিকে, জাতীয় পার্টি (আনিসুল ইসলাম) ও জেপির নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করা নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ১১৯ আসনে ১৩১ জন প্রার্থী ঘোষণা করেছে। গত ২৩ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের বলরুমে সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন জাতীয় পার্টির নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা: জয়-পলকের আইনজীবীর শুনানি আজ

ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা: জয়-পলকের আইনজীবীর শুনানি আজ