ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা–পুনর্বাসনের পর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস মার্কিন ডলার বর্জনের ডাক ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ: মীর শাহে আলম মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চায় ইরান ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানি প্রেসিডেন্টের নতুন বার্তা সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী মিরাজ শেখের নিখোঁজকে ঘিরে ‘গুমের কাহিনী’ সাজানোর চেষ্টা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মাস্টারমাইন্ডদের বিচার করতে হবে মজলুমদের হাত দিয়ে যে আইন হচ্ছে, তা গুমের পথ সুগম করবে: এমপি আরমান আইনের বইয়ের পাশাপাশি মামলার খুঁটিনাটিও জানতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর

সারাদেশে বন্ধ মোবাইল ফোনের দোকান, বিটিআরসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রেখে আন্দোলনে নেমেছেন ব্যবসায়ীরা। আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে কর্মসূচিটি
  • আপলোড সময় : ৭ ডিসেম্বর ২০২৫, দুপুর ১০:৩৬ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ ডিসেম্বর ২০২৫, দুপুর ১০:৩৬ সময়
সারাদেশে বন্ধ মোবাইল ফোনের দোকান, বিটিআরসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি
সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রেখে আন্দোলনে নেমেছেন ব্যবসায়ীরা। আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে কর্মসূচিটি শুরু হয়। ঢাকায় অধিকাংশ মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।

আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হতে যাওয়া ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বিলোপ এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্তকরণসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, দাবি না মানা হলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।

গতকাল শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি (এমবিসিবি) এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, রোববার সকাল থেকেই সারাদেশে দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বিটিআরসির সামনে জড়ো হচ্ছেন এবং সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনইআইআর বাস্তবায়িত হলে লাখো ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের দাবি, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে কেবল একটি বিশেষ গোষ্ঠী সুবিধা পাবে এবং করের বোঝা বাড়ায় গ্রাহক পর্যায়েও মোবাইল ফোনের দাম বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসার ৭০ শতাংশের বেশি মার্কেট শেয়ার যাদের হাতে, তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেই এনইআইআর চালু করা উচিত।

তারা এনইআইআরের বিরোধী নন—তবে কিছু সংস্কার, ন্যায্য করনীতি, সিন্ডিকেট বিলোপ এবং মুক্ত প্রতিযোগিতার স্বার্থে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি রয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাদের মতামত না শুনেই একতরফাভাবে এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে। তাদের অভিযোগ, কোনো পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ এনইআইআর বাস্তবায়নের ঘোষণা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর ফলে প্রায় ২৫ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ২০ লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা হুমকিতে পড়েছে। বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন তারা—এবং বর্তমানে তাদের স্টকে কোটি কোটি টাকার হ্যান্ডসেট রয়েছে।

১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক অবিক্রিত হ্যান্ডসেট বিক্রি করা সম্ভব নয়। দাবি না মেনে কিছু ব্যবসায়ীকে একচেটিয়া সুযোগ দেওয়া হলে তারা পথে বসবেন বলেও দাবি করেন। এমবিসিবির নেতারা জানান, এনইআইআরের বর্তমান কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলে শুল্ক ৫৭ শতাংশ হোক কিংবা শূন্য শতাংশ—কোনোভাবেই বৈধ উপায়ে মোবাইল ফোন আমদানি সম্ভব হবে না। কারণ বিটিআরসির নীতিমালায় বলা আছে, কোনো বিদেশি ব্র্যান্ড যদি স্থানীয়ভাবে পণ্য সংযোজন করে, তবে সেই ব্র্যান্ডের কোনো মডেল অন্য প্রতিষ্ঠান আমদানি করতে পারবে না।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই নীতিমালা বাজারে মনোপলি ব্যবসার পথ খুলে দিচ্ছে। এতে প্রতিযোগিতা কমে যাবে এবং প্রায় ১৮ কোটি মানুষের মোবাইল ফোন বাজারের নিয়ন্ত্রণ গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাবে। একই সঙ্গে স্মার্টফোনের দাম বেড়ে গিয়ে সাধারণ গ্রাহক ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ