ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এক দিনেই সম্পদে বড় লাফ, এশিয়ার শীর্ষ ধনী হলেন আম্বানি মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলায় শাহজালাল রুমীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে অচল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড, ভোগান্তিতে যাত্রী-চালকেরা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ৭ ডিসেম্বর সত্যের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না: মুক্তির পর আখতারুজ্জামান ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল থাইল্যান্ড প্রধানমন্ত্রীর বিমানে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির ব্যাখ্যা তলব সুদের সঙ্গে জড়িত পাত্রের কাছে মেয়ের বিয়ে: ইসলাম কী বলে? অবৈধ সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়েছে সরকার: নাহিদ জনগণের খালি গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামাই বোধহয় বাকি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

‘মুক্তিপণ’ না পেয়ে শিশুকে দুই দফা বিক্রি, গ্রেপ্তার ৫

মাত্র আট মাস বয়স! মায়ের কাছ থেকে নিয়ে যাওয়ার পর ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি, আর টাকা না
  • আপলোড সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:১৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:১৮ সময়
‘মুক্তিপণ’ না পেয়ে শিশুকে দুই দফা বিক্রি, গ্রেপ্তার ৫

মাত্র আট মাস বয়স! মায়ের কাছ থেকে নিয়ে যাওয়ার পর ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি, আর টাকা না দিলে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি—এরপর যা ঘটেছে, তা আরও চমকে দেওয়ার মতো। কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপহৃত সেই শিশুকে শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাঁচজনকে। বুধবার রাতে উখিয়ার বালুরমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আট মাস বয়সী শিশুটিকে উদ্ধার করেন। তখন শিশুটি মায়মুনা আক্তার ও তার স্বামী নুরুল আমিনের হেফাজতে ছিল।


পুলিশ জানায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কুতুপালং ক্যাম্পের বাসিন্দা তৈয়বা বেগম তার সাত বছর বয়সী ভাগ্নি রেহেনা ও আট মাস বয়সী ছেলে কাদেরকে নিয়ে কুতুপালং বাজারে যান। একটি ওষুধের দোকানের সামনে গেলে তৈয়বার সাবেক স্বামী মো. রশিদ আলম তার কাছ থেকে শিশুটিকে নিয়ে যান বলে অভিযোগ। এরপর শিশুটিকে নিয়ে তৈয়বার মুঠোফোনে ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন রশিদ। টাকা না দিলে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।


শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রশিদ আলমকে ক্যাম্পে ডেকে আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তার বর্তমান স্ত্রী রুজিনা আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবেশী তসলিমা আক্তারের কাছে শিশুটিকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। পরে তসলিমা ও রুজিনাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, শিশুটিকে এরপর হলদিয়া পালংয়ের পশ্চিম মরিচ্যা এলাকার মায়মুনা আক্তার ও তার স্বামী নুরুল আমিনের কাছে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।


এই তথ্যের ভিত্তিতে বালুরমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক ও অপারেশন কর্মকর্তা সুমন ভক্তের নেতৃত্বে পশ্চিম মরিচ্যায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই মায়মুনা ও নুরুল আমিনের হেফাজত থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন রশিদ আলম, তার বর্তমান স্ত্রী রুজিনা আক্তার, তসলিমা আক্তার, মায়মুনা আক্তার এবং তার স্বামী নুরুল আমিন।


১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক মোহাম্মদ সিরাজ আমিন জানিয়েছেন, শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মাত্র আট মাস বয়সী একটি শিশুকে ঘিরে মুক্তিপণ দাবি এবং একাধিকবার হাতবদলের অভিযোগে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।


  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চার দফা দাবিতে শাহবাগে এনসিপির বিক্ষোভ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

চার দফা দাবিতে শাহবাগে এনসিপির বিক্ষোভ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি