ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
চীন সফরে আরাগচি, আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে আর কত দিন পুলিশের পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট করার পরিকল্পনা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে খুন করে পালালো স্ত্রী ব্যালন ডি’অর নিয়ে এমবাপ্পের মন্তব্যে ফ্রান্স দলে ‘ফাটল’, ডেম্বেলের চোখে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ আওয়ামী লীগের ৭ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড, সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারত হাসিনাকে ফেরত দিতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আইসিসির জোড়া শাস্তির মুখে পাকিস্তান ব্রাজিল দলে নেইমার অধ্যায়ের সমাপ্তি নিশ্চিত করলেন আনচেলত্তি দেশীয় উৎপাদনের সংকট ও চড়া দামের কারণে বাড়ছে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি: ৯৮ বার পেছাল মামলার প্রতিবেদন

একবার-দুবার নয়, এবার ৯৮ বারের মতো পিছিয়ে গেল বাংলাদেশের বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন। দীর্ঘদিন ধরে
  • আপলোড সময় : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৫৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৫৫ সময়
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি: ৯৮ বার পেছাল মামলার প্রতিবেদন

একবার-দুবার নয়, এবার ৯৮ বারের মতো পিছিয়ে গেল বাংলাদেশের বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন। দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চললেও এখনো আদালতে জমা পড়েনি সেই প্রতিবেদন। আবারও নতুন তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় মামলাটির অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—সিআইডি নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।


পরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। আগামী ১৯ অক্টোবর মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য করা হয়েছে। বিষয়টি প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন। এই মামলার পেছনে রয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অর্থ চুরির ঘটনা। ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি করে নেয়।


ধারণা করা হয়, শুধু বিদেশি হ্যাকারদের মাধ্যমে নয়, দেশের ভেতরে থাকা কোনো একটি চক্রের সহায়তাতেও এই অর্থপাচারের ঘটনা ঘটেছিল। বিপুল পরিমাণ অর্থ চুরির এই ঘটনায় দেশে-বিদেশে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। ঘটনার পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব ও বাজেটিং বিভাগের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা ঢাকার মতিঝিল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয় এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।


এর ঠিক একদিন পর, ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডির কাছে দেন। এরপর থেকেই মামলাটি তদন্ত করছে সংস্থাটি। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে বারবার সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি। সোমবারও নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় আবারও পিছিয়ে গেল শুনানির পরবর্তী ধাপ। ফলে প্রশ্ন উঠছে—বহু বছর ধরে তদন্ত চলার পরও কেন এই মামলার প্রতিবেদন এখনো আদালতে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না? আর তদন্ত শেষ হতে আরও কত সময় লাগবে?


রিজার্ভ চুরির ঘটনা শুধু বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধাক্কা ছিল না, এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বড় প্রশ্ন তৈরি করেছিল। তাই এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে দীর্ঘদিন ধরেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। এখন আগামী ১৯ অক্টোবর নতুন তারিখে সিআইডি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারে কি না, সেটিই হয়ে উঠেছে মামলাটির পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।


  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হজের টাকা এজেন্সিকে দিলে সেই টাকার যাকাত দিতে হবে?

হজের টাকা এজেন্সিকে দিলে সেই টাকার যাকাত দিতে হবে?