ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুরের পাশে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রাজধানীতে, পুলিশের লাঠিপেটা পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী গাঢ় নীল পোশাকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান রোলারের চাপায় ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়

বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল কার্যক্রমে খাবারের পুষ্টিমান, নিরাপত্তা ও মান নিশ্চিত করার ওপর কঠোর গুরুত্ব দিয়েছেন
  • আপলোড সময় : ২৪ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৬:৩ সময়
  • আপডেট সময় : ২৪ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৬:৩ সময়
বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল কার্যক্রমে খাবারের পুষ্টিমান, নিরাপত্তা ও মান নিশ্চিত করার ওপর কঠোর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা খাবার অবশ্যই পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হতে হবে। খাদ্যের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না।


সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। বৈঠকে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।


এ সময় মেয়েদের শিক্ষায় সার্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জনের বিষয়টিও উঠে আসে। মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং শিক্ষাগত ও সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরির কথা বলা হয়েছে।


পাশাপাশি ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। মিড-ডে মিল কার্যক্রমে ব্যয়, ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।


এই দুই পদ্ধতির কার্যকারিতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করতে পৃথক দুটি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ, শিক্ষার্থীদের শুধু বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করাই নয়, তাদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাজীবনকে আরও সুরক্ষিত করতেই উপবৃত্তি ও মিড-ডে মিল কার্যক্রমকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ