ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের বদলি স্থগিত আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না ৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে, বিক্ষোভ

ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থীকে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে প্রায়
  • আপলোড সময় : ১৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৫১ সময়
  • আপডেট সময় : ১৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৫১ সময়
শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে, বিক্ষোভ

ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থীকে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানো, শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা, মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া এবং জোর করে লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। রোববার রাত ৮টা থেকে প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন।


অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনামূলক পোস্ট শেয়ার করায় রোবটিক্স ও মেকাট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীমকে প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানো ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।


শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, ওই সময় তার মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক একটি লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি তোলেন। অবস্থান কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসতাফিল রতন, হলের হাউজ টিউটর, ডাকসুর বিভিন্ন সম্পাদক, হল সংসদের নেতৃবৃন্দসহ আবাসিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তারা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তেরও দাবি জানান। হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শিক্ষার্থীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য অপেক্ষা করলেও হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের গড়িমসি করা হচ্ছে। তাদের মূল দাবি এখন প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ।


অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, দেড় ঘণ্টা ধরে কীভাবে মানসিক নির্যাতন করা সম্ভব? পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে মারধরের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে ফজলুল হক মুসলিম হলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, অভিযোগের তদন্ত এবং প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা অবস্থান অব্যাহত রেখেছেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?