রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় একটি প্রাইভেট কার থেকে গুলি চালানোর ঘটনায় বিএনপি নেতা ও মাছের আড়তদার আলমগীর হোসেন এবং এক পথচারী নারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আলমগীর হোসেন কয়েকজনের সঙ্গে স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার থেকে কয়েকজন ব্যক্তি নেমে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে আলমগীরের মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে। এ সময় জোসনা নামে ৬৫ বছর বয়সী এক পথচারী নারীর পায়েও গুলি লাগে।
আহত আলমগীরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত নারীকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর হোসেনের দাবি, চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তাদের মধ্যে দুজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলেও দাবি করেন। তবে হামলার পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন।
আলমগীর জানান, পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে ভাইয়ের সঙ্গে তার মাছের আড়তের ব্যবসা রয়েছে। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ-নবাবগঞ্জ রোড এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য এবং বর্তমানে মিরপুর-১১ এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেলের সঙ্গে আলমগীরের বিরোধ ছিল। মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ওই বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির জানান, রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। হামলায় আলমগীর ও এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন