ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে তেলের দাম কম ছিল, পাচারের ঝুঁকি ঠেকাতে বেড়েছে দাম: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এশিয়ান গেমস: মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, বাংলাদেশের বিদায় মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম মারা গেছেন ভোট চলাকালে মস্কোয় ইউক্রেনের হামলা, তবুও পুতিনের দলের বড় জয় নজরুলের এমপি পদের বিষয়ে সংসদের চিঠির অপেক্ষায় ইসি ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢালাই সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূতে ধরেছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির ইবিতে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই বিভাগের সংঘর্ষে আহত ১০ ডায়ানার মৃত্যুর কদিন পর চার্লস বলেছিলেন, মানুষ ‘খুব শিগগির’ তাকে ভুলে যাবে

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে যেসব আকর্ষণ

দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে পরিচিত গণভবন এখন নতুন পরিচয়ে যাত্রা শুরু করেছে। এটি রূপান্তরিত হয়েছে ‘জুলাই
  • আপলোড সময় : ৬ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:১২ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:১২ সময়
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে যেসব আকর্ষণ

দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে পরিচিত গণভবন এখন নতুন পরিচয়ে যাত্রা শুরু করেছে। এটি রূপান্তরিত হয়েছে ‘জুলাই ৩৬ গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এ, যেখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাস, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মারক, দলিল ও নিদর্শন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ১৭ একরজুড়ে বিস্তৃত এই জাদুঘরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে লাল ইটের পথ এবং দুই পাশে সারিবদ্ধ ফলজ গাছ। শুরুতেই রয়েছে ‘গণতন্ত্রের পথে দীর্ঘ যাত্রা’ শীর্ষক প্রদর্শনী, যেখানে স্বাধীনতার পর থেকে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।


জাদুঘরের অন্যতম আকর্ষণ ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। সাদা মার্বেল পাথরে নির্মিত এই বৃত্তাকার স্থাপনায় আন্দোলনে নিহতদের নাম উৎকীর্ণ করা হয়েছে। এর ভেতরের অংশ প্রতীকী কবরস্থানের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে। খোলা প্রাঙ্গণে রয়েছে আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত একাধিক ভাস্কর্য। গুলিবিদ্ধ রিকশাযাত্রীর প্রতীকী দৃশ্য, সাঁজোয়া যানে ঝুলন্ত আন্দোলনকারী, সাইকেলে মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ভাস্কর্যের মাধ্যমে আন্দোলনের নানা অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি অতীতের বিভিন্ন আলোচিত ঘটনাকেও প্রতীকীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।


জাদুঘরের দক্ষিণ পাশে নির্মাণ করা হয়েছে আলোচিত ‘আয়নাঘর’-এর আদলে একটি প্রতীকী কক্ষ, যেখানে গুমের অভিযোগে ব্যবহৃত কথিত গোপন বন্দিশালার পরিবেশ তুলে ধরা হয়েছে। মূল ভবনের নিচতলায় সংরক্ষিত রয়েছে বিভিন্ন দলিল, আলোকচিত্র, ভিডিও, প্রামাণ্য উপকরণ এবং সাবেক সরকারি বাসভবনে ব্যবহৃত নানা ঐতিহাসিক সামগ্রী। এছাড়া একটি ডিজিটাল প্রদর্শনী কক্ষে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।


বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বৈঠককক্ষ। গণ-অভ্যুত্থানের সময় কক্ষটির যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, তা অক্ষত রাখতে পুরো মেঝে কাচ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে, যাতে দর্শনার্থীরা সেই দৃশ্য সরাসরি দেখতে পারেন। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের ব্যবহৃত পোশাক, বই, খাতা, ক্রীড়া সামগ্রীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত স্মারক। সেখানে রক্তমাখা পোশাক, আলোকচিত্র, দিনভিত্তিক ঘটনাপঞ্জি, শিল্পকর্ম এবং ৩৬০ ডিগ্রি প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল প্রদর্শনীর মাধ্যমে আন্দোলনের বিভিন্ন মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।


দর্শনার্থীদের জন্য সময়সূচি ও টিকিট,

প্রতিদিন তিনটি নির্ধারিত সময়ে মূল ভবন ঘুরে দেখা যাবে। প্রথম পর্ব সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা, দ্বিতীয় পর্ব দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা এবং তৃতীয় পর্ব বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময় শেষে দর্শনার্থীরা জাদুঘরের প্রাঙ্গণ, পুকুরপাড় ও ক্যাফেটেরিয়ায় সময় কাটাতে পারবেন। জাদুঘরে প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২০ টাকা। টিকিট অনলাইন কিংবা জাদুঘরের কাউন্টার—উভয় মাধ্যম থেকেই সংগ্রহ করা যাবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করবে দুদক

আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করবে দুদক