ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষমতাচ্যুতির দুই বছরে প্রথমবার প্রকাশ্যে আসছেন শেখ হাসিনা, জানাবেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জ্বালানি তেলের দরপতন হলেও বিশ্ববাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম পারিবারিক কবরস্থানের আড়ালে গাঁজা চাষ, দিনমজুর গ্রেপ্তার শিশুর অপুষ্টি চিনবেন কীভাবে? লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধে জরুরি করণীয় আসিয়ান কাপে ভারত-পাকিস্তান খেলছে, অথচ আমন্ত্রণ পায় না বাংলাদেশ নিয়মিত অভিবাসনের সুযোগ বাড়াতে আইওএমের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ ফিফাকে কড়া নোটিশ উয়েফার, ‘কোনো নথি নষ্ট করবেন না’ ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’- এর ৫৫ বছর, ‘দ্য লিগ্যাসি’র মাধ্যমে বিশেষ শ্রদ্ধা মুখোমুখি নয়, পরোক্ষ আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

শিশুর অপুষ্টি চিনবেন কীভাবে? লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধে জরুরি করণীয়

শিশুর জন্মের পর প্রথম দুই বছর তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে পর্যাপ্ত
  • আপলোড সময় : ৩ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:২৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৩ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:২৮ সময়
শিশুর অপুষ্টি চিনবেন কীভাবে? লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধে জরুরি করণীয়

শিশুর জন্মের পর প্রথম দুই বছর তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের অভাব বা বারবার অসুস্থ হওয়ার কারণে অনেক শিশুই অপুষ্টিতে ভুগতে পারে। অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়, ফলে সাধারণ সংক্রমণও গুরুতর রূপ নিতে পারে।


অপুষ্টির প্রধান ধরন—


ক্যালরির ঘাটতিজনিত অপুষ্টি।

আমিষের ঘাটতিজনিত অপুষ্টি।

ভিটামিনের ঘাটতিজনিত অপুষ্টি।

আয়রন, আয়োডিন ও জিংকের মতো খনিজের ঘাটতিজনিত অপুষ্টি।


যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন—


অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুর মুখমণ্ডল ফুলে যেতে পারে, চোখ শুষ্ক বা রক্তাল্পতার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। মুখের কোণায় ঘা, জিহ্বা লাল হওয়া, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা সহজে উঠে আসা, ত্বক শুষ্ক বা ঝুলে যাওয়া, নখ ভঙ্গুর হয়ে পড়া এবং পেট অস্বাভাবিকভাবে বড় দেখানো অপুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।


এ ছাড়া শিশুর ওজন ও উচ্চতা স্বাভাবিক হারে না বাড়া, হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া, বিকাশে বিলম্ব, স্মৃতিশক্তি ও শেখার সক্ষমতা কমে যাওয়া এবং খিটখিটে আচরণও অপুষ্টির ইঙ্গিত হতে পারে।


অপুষ্টি প্রতিরোধে যা করবেন—


জন্মের পরপরই শালদুধ খাওয়ান।

প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র বুকের দুধ দিন।

ছয় মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর পরিপূরক খাবার শুরু করুন।

নিয়মিত শিশুর ওজন মাপুন এবং স্বাস্থ্যকার্ড ব্যবহার করুন।

সময়মতো সব টিকা নিশ্চিত করুন।

ডায়রিয়া হলে দ্রুত খাবার স্যালাইন খাওয়ান এবং সুস্থ হওয়ার পর অতিরিক্ত একবেলা খাবার দিন।

ছয় মাস বয়সের পর থেকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ান।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত কৃমির ওষুধ দিন।

গর্ভাবস্থায় ও সন্তান জন্মের পর মায়ের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করুন।

সন্তান জন্মের মধ্যে অন্তত তিন থেকে পাঁচ বছরের বিরতি রাখুন।


শিশুর অপুষ্টির লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সময়মতো শনাক্ত ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে অপুষ্টি প্রতিরোধ এবং শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক আসামি করে এনসিপির মামলা

হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক আসামি করে এনসিপির মামলা