ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার' ভারতের কাছে হেরে বিব্রতকর রেকর্ড গড়ল পাকিস্তান যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত: জামায়াত আমির হুংকার দেবেন না, বিএনপি রাজপথ থেকে উঠে আসা দল: পানিসম্পদমন্ত্রী

মন্ত্রণালয়-শিক্ষা ভবনে প্রতিদিন সহস্রাধিক শিক্ষকের ভিড়

শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদানের পরিবর্তে বদলি, পদোন্নতি, গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন, এমপিওভুক্তি, বকেয়া বেতন ছাড় ও বিভিন্ন প্রশাসনিক সুবিধা আদায়ে
  • আপলোড সময় : ১ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১১:১৭ সময়
  • আপডেট সময় : ১ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১১:১৭ সময়
মন্ত্রণালয়-শিক্ষা ভবনে প্রতিদিন সহস্রাধিক শিক্ষকের ভিড়

শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদানের পরিবর্তে বদলি, পদোন্নতি, গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন, এমপিওভুক্তি, বকেয়া বেতন ছাড় ও বিভিন্ন প্রশাসনিক সুবিধা আদায়ে শিক্ষকদের অতিরিক্ত তদবিরের প্রবণতা শিক্ষা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে অনিয়ম এবং দালালচক্র সক্রিয় থাকার দাবিও উঠে এসেছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা ভবনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষক বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক কাজের জন্য ভিড় করছেন। এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বদলির আবেদন নিয়ে এত শিক্ষক আসেন যে অনেক সময় মন্ত্রণালয়ের কক্ষে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে।


প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বদলি, পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে একাধিক দালাল সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু অসাধু ব্যক্তি ও মধ্যস্থতাকারী বিভিন্ন পদের জন্য অর্থ লেনদেনের প্রলোভন দেখিয়ে তদবির করছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক তদন্তের কথা বলা হয়েছে। এদিকে শিক্ষা খাতে অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশাসনিক অনুমোদন এবং শিক্ষা বোর্ডে ফাইল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ সামনে এসেছে। কিছু অভিযোগ ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিতভাবে জমা দেওয়া হয়েছে।


অন্যদিকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যবই মুদ্রণ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতা সীমিত থাকায় সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেছেন, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই দর পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, তার দপ্তরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি দাবি করেন, পদোন্নতি, বদলি বা অন্য কোনো ধরনের অনিয়মের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?